অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩ উইকেটে জিতে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে থাকল লাল-সবুজের দলটি। বোলারদের নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষকে অল্পরানে গুটিয়ে ৭ উইকেট ও ১৫১ বল হাতে রেখে জয় তুলেছেন আজিজুল হাকিমরা।
যুব আসরটির সব খেলা সরাসরি দেখাচ্ছে ওটিটি প্লাটফর্ম আইস্ক্রিন। আইস্ক্রিন ডাউনলোড করে সাবস্ক্রাইব করতে ভিজিট করুন: https://iscreen.page.link/fsv
দুবাইয়ের সেভেনস স্টেডিয়ামে সোমবার টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল। আগে ব্যাটে নেমে ৩১.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৩০ রানে গুটিয়ে যায় নেপালের যুবারা। লক্ষ্যে ২৪.৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে বাংলাদেশ। ৭০ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচসেরা হয়েছেন জাওয়াদ আবরার।
জয়ে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা আজিজুল-সাদরা সেমির পথে অনেকটা এগিয়ে থাকলেন। গ্রুপে এক জয়ে ২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ লঙ্কান যুবাদের বিপক্ষে।
লক্ষ্যে নেমে ২৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ওপেনার জাওয়াদের সঙ্গে জুটি গড়েন কালাম সিদ্দিকী। এ জুটি বাংলাদেশকে নিয়ে যায় জয়ের দিকে। তৃতীয় উইকেটে জাওয়াদ-কালাম গড়েন ৯২ রানের জুটি। কালাম ৬৬ বলে ৩৪ রানে যখন আউট হন, জয় সবে ১০ রান দূরে।
জাওয়াদের সঙ্গে বাকি কাজটা সারেন রিজান হোসেন। জাওয়াদ ৬৮ বলে ৭ চার ৩ ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন। ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন রিজান। ৮ বলে অপরাজিত ১২ রান আসে তার ব্যাটে। নেপালের হয়ে অভিষেক তিওয়ারি ও যুবরাজ খাত্রি নেন একটি করে উইকেট।
আগে ব্যাটে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি নেপাল। ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন সাহিল প্যাটেল ও নিরাজ কুমার। প্যাটেল ১৮ রান করে বিদায় নেন, জুটি ভাঙেন সাদ ইসলাম। পরে ৫৪ থেকে ৬১ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন বংশ ছেত্রি (৪), নিরাজ কুমার (১৪), নিশ্চল ছেত্রি (০) ও কিরবিন শ্রেষ্ঠ (৫)। ৪০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৬১ রানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ৫ উইকেট নেই হয়ে যায় দলটির।
এরপর আশিষ লুহার ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি, বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল হাকিমের বলে। যুবরাজ খাত্রি ৬ রানে বিদায় নেন শাহরিয়ারের বলে বোল্ড হয়ে। ৮ উইকেটে ১২৮ রান তখন নেপালের।
সর্বোচ্চ ৩০ রান করা অভিষেক তিওয়ারিকে তুলে নেন আজিজুল, ১২৮ রানেই। পতন হয় ৯ উইকেটের। ৬ বল খেলে রানের খাতা খুলতে না পারা বিপিন শর্মা শেষে শাহরিয়ারের বলে আউট হলে থেমে যায় নেপালের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সবুজ। সাদ, আজিজুল ও শাহরিয়ার নেন ২টি করে উইকেট। এক উইকেট পেয়েছেন আল-আমিন।








