এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
এএফসি এশিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব-১৭ বাছাইয়ে গ্রুপপর্বে ম্যাকাওয়ের বিপক্ষে ৭-০ গোলের উড়ন্ত জয় তুলেছে বাংলাদেশ। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের তৃতীয় ম্যাচে ম্যাকাওয়ের বিপক্ষে আক্রমণের পসরা সাজিয়েছিল বয়সভিত্তিক লাল-সবুজের দলটি। চার গোল করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হুদা ফয়সাল।
খেলার তৃতীয় মিনিটে প্রথম আক্রমণ করে বাংলাদেশ। লেফট উইঙ্গারের নেয়া দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন ম্যাকাও গোলরক্ষক। সপ্তম মিনিটে আরেকবার সুযোগ আসে, গোলমুখে জটলা পাকিয়ে সেটি হাতছাড়া করে বাংলাদেশ।
১৯ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে পাওয়া ফ্রি-কিক নেন আরহাম ইসলাম, সেকেন্ডবারে লাগলে গোলবঞ্চিত হয় দল। দুমিনিট পর বাংলাদেশ গোল দিলেও অফসাইডে বাতিল হয়ে যায়। ৩০ মিনিটে লেফট কর্নার থেকে কর্নার পায় বাংলাদেশ, সুযোগ বানিয়েও গোল আনতে পারেনি।
প্রথমার্ধে পুরোটা সময় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল লাল-সবুজদের দখলে। দারুণ দক্ষতা, পাসিং ও শট দেখান আরহাম ইসলাম ও নাজমুল হুদা ফয়সাল। প্রথমার্ধে বাংলাদেশের অসংখ্য আক্রমণের মুখে ম্যাকাও কোনো আক্রমণ গড়তে পারেনি।
বাংলাদেশের প্রথম গোল আসে ৪০ মিনিটে। লেফট উইং, মিডফিল্ডারের দারুণ দক্ষতায় তিন-চার খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোল করেন অধিনায়ক ফয়সাল, এগিয়ে যায় দল। পরে বাংলাদেশ আরও কিছু আক্রমণ করে জালের দেখা পায়নি, ১-০তে বিরতিতে যায়।

বিরতি থেকে ফিরে আবারও শুরু হয় বাংলাদেশ-শো। বারবার আক্রমণ করে গোল মিলছিল না। এসময় বেশ কয়েকটি শট ম্যাকাওয়ের বারে লাগে। ৬৫ মিনিটে সুযোগ কাজে লাগান ফরোয়ার্ড মানিক, ডি-বক্সের বাইরে পাওয়া বল ম্যাকাও গোলকিপারের মাথার উপর দিয়ে মারেন, ২-০তে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
৬৯ মিনিটে মাঠে নেমে ফরোয়ার্ড রিফাত কাজী দুই মিনিট পর বাংলাদেশের ব্যবধান আরেকবার বাড়ান, ৩-০তে লিড তখন। ৭৪ মিনিটে গোল করেন মানিক, ম্যাকাওয়ের ডিফেন্ডার ট্যাং টিনের গায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায়, স্কোর তখন ৪-০। ৭৫ মিনিটে ফয়সাল ৫-০তে করে দেন। ৮১ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৮৩ মিনিটে আরও একটি গোল করেন নিজের সাফল্য চারে নেন ফয়সাল।
গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক কম্বোডিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ফিলিপিন্সের বিপক্ষে ১-০তে জয় তুলেছিল বাংলাদেশ।








