ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর এজলাস কক্ষে বেআইনীভাবে বিচারিক কাজে হস্তক্ষেপ ও বিচারকের সাথে করা অশালীন আচরণের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশন।
একইসাথে ঘটনায় যুক্ত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছে জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশন।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানিয়েছে তারা।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উক্ত ঘটনাটি অনভিপ্রেত, ন্যাক্কারজনক ও অত্যন্ত দুঃখজনক। এর ফলে বিচারবিভাগের মর্যাদা ও সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
‘জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায় এবং সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষী ব্যক্তিদের উপযুক্ত দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে, যাতে আর কেউ এ ধরণের নিন্দনীয় ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ কাজ করার দুঃসাহস না দেখায়।’
গত ২ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক ও আদালতের কর্মচারীদের গালিগালাজ এবং অশালীন আচরণের অভিযোগে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ অন্য আইনজীবীদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার ব্যবস্থা নিতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর একটি চিঠি পাঠান বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ ফারুক। এরপর বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল। পরে প্রধান বিচারপতি বিষয়টি বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠাতে নির্দেশ দেন।
সেই ধারাবাহিকতায় বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার আদালত অবমাননার স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ ওই আইনজীবীদের তলব আদেশ দেন।








