ভারতের বিপক্ষে টেস্টে ২-০তে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর টি-টুয়েন্টিতে নামবে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি হবে শ্রীমন্ত মাধবরাও সিন্ধিয়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। প্রায় ১৪ বছর পর গোয়ালিয়রে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে চলেছে।
এ ম্যাচ ঘিরে আগেই তৈরি হওয়া উত্তেজিত পরিবেশের জন্য গোয়ালিয়রে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ আইনের ১৬৩ অনুচ্ছেদ বলে পুলিশ সুপারের সুপারিশে আদেশ দেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করেছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর রুচিকা চৌহান।
৭ অক্টোবর পর্যন্ত বলবৎ থাকা আদেশে বলা হয়েছে, ম্যাচের আগে গোয়ালিয়রে সভা-সভাবেশ বন্ধের পাশাপাশি দাহ্য কোনো পদার্থ বহন করা যাবে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে অথবা ধর্মীয় উত্তেজনা উসকে দেয়, পতাকা এবং উত্তেজক বার্তা বহনকারী কিছু প্রচার করা যাবে না।
এছাড়া পাঁচজনের বেশি মানুষ এক জায়গায় হওয়া যাবে না, কোনো ধরনের অস্ত্রপাতি বহন করা যাবে না। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচ ঘিরে গোয়ালিয়রে নিরাপত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় প্রায় ১৬০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেখানে হিন্দুদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে এমন দাবি করে হিন্দু মহাসভাসহ কয়েকটি সংগঠন ‘বন্ধের’ ডাক দিয়েছে গোয়ালিয়রে। তারা বাংলাদেশ-ভারতের ম্যাচ বাতিল করার দাবি তুলেছে।








