বাংলাদেশ-ভারতের টি-টুয়েন্টি দিয়ে প্রায় ১৪ বছর পর গোয়ালিয়রে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে চলেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার প্রথম টি-টুয়েন্টি হবে শ্রীমন্ত মাধবরাও সিন্ধিয়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ম্যাচটি নির্বিঘ্ন করতে ২৫০০ অধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার ম্যাচ শুরু হবে রাত ৮ টায়। তবে পুলিশের এক কর্মকতা জানিয়েছেন, ‘ম্যাচের দিন দুপুর ২টা থেকে রাস্তায় পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর দর্শকরা বাড়িতে পৌঁছানো পর্যন্ত পুলিশ মাঠে থাকবে। সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হয়েছে।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নজর রাখা হচ্ছে এমন দাবি করে গোয়ালিয়র জোন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ অরভিন্দ সাক্সেনা জানিয়েছেন, ‘আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপরও চোখ রাখছি।’
গোয়ালিয়রের ম্যাচ ঘিরে আগেই তৈরি হওয়া উত্তেজিত পরিবেশের জন্য সেখানে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ আইনের ১৬৩ অনুচ্ছেদ বলে পুলিশ সুপারের সুপারিশে আদেশ দেয়া হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করেছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর রুচিকা চৌহান।
৭ অক্টোবর পর্যন্ত বলবৎ থাকা আদেশে বলা হয়েছে, ম্যাচের আগে গোয়ালিয়রে সভা-সভাবেশ বন্ধের পাশাপাশি দাহ্য কোনো পদার্থ বহন করা যাবে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে অথবা ধর্মীয় উত্তেজনা উসকে দেয়, পতাকা এবং উত্তেজক বার্তা বহনকারী কিছু প্রচার করা যাবে না।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছিল, বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচ ঘিরে গোয়ালিয়রে নিরাপত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় প্রায় ১৬০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে বর্তমানে ২৫০০ করা হয়েছে।
আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেখানে হিন্দুদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে এমন দাবি করে হিন্দু মহাসভাসহ কয়েকটি সংগঠন ‘বন্ধের’ ডাক দিয়েছে গোয়ালিয়রে। তারা বাংলাদেশ-ভারতের ম্যাচ বাতিল করার দাবিও তুলেছে।







