১৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। টি-টুয়েন্টি সংস্করণে বড় জয়ই বলা যায়। এমন জয়ের পরও তাওহীদ হৃদয়ের দিকে ছুটে গেল প্রশ্নের তোপ। টুর্নামেন্টের ‘দুর্বলতম’ প্রতিপক্ষের সঙ্গে রানতাড়ায় আরেকটু আগ্রাসী মনোভাব দেখাতে পারত কিনা দল, প্রসঙ্গটি উঠল জোরালভাবে। হৃদয়ের মতে ‘স্মার্ট’ ক্রিকেটই খেলেছে বাংলাদেশ, রানরেটের চেয়ে জয়টা ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টসে জিতে হংকংকে ব্যাটে পাঠান অধিনায়ক লিটন দাস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে ইয়াসিম মুরতাজার দল। জবাবে ১৪ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে লাল-সবুজের দল।
পরে হৃদয়ের কথার সারমর্ম ছিল, আগে দরকার বাংলাদেশের জয় এবং বাকি ম্যাচে জয় নিয়েই গ্রুপপর্ব টপকাতে চায় দল। তাই রানরেট নিয়ে মোটেও বিচলিত নন হৃদয়। বলেছেন, ‘রানরেট নিয়ে চিন্তিত নই আমরা। কারণ, আমরা আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে হারাতে চাই। টুর্নামেন্টের শুরুতেই বিষয়গুলো জটিল করতে চাই না।’
হংকংয়ের বিপক্ষে বিশাল জয়ে বাংলাদেশের সমান ২ পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে অনেকটা এগিয়া আছে আফগানিস্তান। তাদের নেট রানরেট ৪.৭০০, বাংলাদেশের ১.০০১। তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের আরও স্মার্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ ছিল কিনা প্রশ্নে হৃদয় বলেছেন, ‘আমার কাছে তো মনে হয় স্মার্ট ক্রিকেটই খেলেছি। তবে হ্যাঁ, যেটা বলছিলাম, আরও দুই-তিন ওভার আগে খেলাটা শেষ করতে পারতাম। সেক্ষেত্রে জিনিসটা উল্টোও হতে পারত। ওই জায়গায় যদি হুট করে আরও দুই-তিনটা উইকেট পড়ে যেত, তবে খেলার দৃশ্যটাই পরিবর্তন হয়ে যেতে পারত। আপনাকে তো জুটির দিকেও নজর দিতে হবে। এদিন হয়ত আমার ব্যাটে-বলে আসেনি, আমিও চেষ্টা করেছিলাম বাউন্ডারি মারতে, হলে ম্যাচটা আরও আগেই শেষ হতো, কিন্তু সেটা হয়নি।’
শেখ আবু জায়েদ স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে হৃদয়ের মত, ‘উইকেট কিছুটা ট্রিকি ছিল। বল ভালোই গ্রিপ করছিল। আমরা এধরনের উইকেটে খেলতে অভ্যস্ত নই, তবে আমরা ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছি।’
শনিবার রিদয়-লিটনদের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে লড়াই। মঙ্গলবার গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে টিম টাইগার্স।








