বৃষ্টি থামার পর খেলা শুরু হতেই সাজঘরে ফিরে গেলেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। আজমতউল্লাহ উমরজাইয়ের বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন মোহাম্মদ নবী। পরে মুশফিককে ফেরান রশিদ খান। ১১২ রানের মাথায় বাংলাদেশের পড়ল পঞ্চম উইকেট। সাকিব ১৪ ও মুশফিক করেন ১ রান। খেলা হয়েছে ২৩ ওভার।
সাদা বলের ক্রিকেটে আফগানিস্তানের স্পিন আক্রমণ সমীহ জাগানিয়া। ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ স্পিনারদের সামলাতে চট্টগ্রামে বানানো হয়েছে সবুজ ঘাসের উইকেট। তবুও স্পিনের বিপরীতে অস্বস্তি চলছেই তামিম ইকবালের দলের।
স্পিনার মুজিব উর রহমানের বলে পুল করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ারে রহমত শাহর হাতে ধরা পড়েছেন লিটন। ক্রিজ ছাড়ার আগে টাইগার ওপেনার করেন ৩৫ বলে ২ চার ও এক ছক্কায় ২৬ রান।
সেটির খানিক পর বিদায় নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। স্পিন-অলরাউন্ডার মোহাম্মাদ নবির প্রথম বলে হাঁটু গেড়ে অলস ভঙ্গিতে সুইপ খেলতে গিয়ে তিনি ৩০ গজের ভেতর অভিষিক্ত সালিমের তালুবন্দি হন। শান্ত করে যান ১৬ বলে ২ চারে ১২ রান।
আগে লিটন দাসের সঙ্গে ৩০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ার পর ফজলহক ফারুকির বলে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়ে ফেরেন তামিম।
বাঁহাতি পেসারদের ভেতরে আসা বলে তামিম ইকবালের দুর্বলতা আগে থেকেই। গতবছর দুদলের লড়াইয়ে সেটি দৃশ্যমান করে তোলেন ফজলহক ফারুকি। আফগানিস্তানের বাঁহাতি পেসার এবারও শিকারি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তামিমের জন্য। চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অফস্টাম্পের বাইরে করা সাধারণ এক ডেলিভারিতে টাইগার অধিনায়কে ফেরালেন আফগান পেসার।
জায়গায় দাঁড়িয়ে কাট করতে গিয়েছিলেন তামিম। একটু ভেতরে আসা বল ব্যাটের কানায় লেগে জমা পড়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। ২১ বলে দুটি চারে আনলাকি থার্টিনে ফেরেন তামিম। বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৩০ রান।








