অর্থনীতি

রফতানিকারকরা পাচ্ছেন ৩১শ’ কোটি টাকা, সবচেয়ে বেশি পাচ্ছে যে খাত

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ভবনের সামনে সাইনবোর্ড দেখা যাচ্ছে।. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ভবনের সামনে সাইনবোর্ড, ব্যাংকের নাম ও লোগো স্পষ্ট।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত নগদ সহায়তার সব আবেদন নিষ্পত্তি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রফতানিকারকদের মধ্যে মোট ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার সরকারি ভর্তুকি পরিশোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা পেয়েছেন প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। আর পাট খাতের রফতানিকারকদের দেওয়া হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

রফতানিতে উৎসাহ দিতে সরকার বর্তমানে ৪৩ ধরনের পণ্যে প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা দিচ্ছে। এর বড় অংশই তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের জন্য বরাদ্দ। এ ছাড়া পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত দ্রব্য, হিমায়িত চিংড়ি, প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, শস্য ও সবজির বীজ, আগরসহ বিভিন্ন পণ্য এ সুবিধার আওতায় রয়েছে।

ব্যাংক খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের কথা রয়েছে। তবে এ সময়সীমা বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছেন।

এলডিসি থেকে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতিমালার কারণে সরকার আর সরাসরি রফতানি ভর্তুকি দিতে পারবে না। সে কারণে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০২৪–২৫ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে প্রণোদনার হার কমানো শুরু হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও সেই হার অপরিবর্তিত রেখেছে।

বিষয়:অর্থনীতি এলডিসি উত্তরণ তৈরি পোশাক শিল্প নগদ সহায়তা পোশাক খাত বস্ত্র খাত

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…