বছর ১৪ আগে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ট্রাভিস হেডকে আউট করেছিলেন তাসকিন আহমেদ। আবারও তাকে ফেরানোর সুযোগ টাইগার পেসারের সামনে। ডারউইনে হেডের বিপক্ষে বোলিংয়ে শুরু করার সম্ভবনা তার। ২৩ বছর পর অজিদের মাটিতে টেস্ট ম্যাচ খেলতে গিয়ে ভালো কিছু করার অপেক্ষায় তাসকিন। ম্যাচের আগে অ্যালেক্স ক্যারি ও জ্যাক ওয়েদারাল্ডের সঙ্গে মাছ শিকার করে, আড্ডার মাঝে অজিদের নিয়ে ভালো লাগার কথাই বলেছেন ৩১ বর্ষী পেসার।
ডারউইনে প্রথম টেস্টের আগে ইস্ট পয়েন্ট বিচে ফটোসেশনের পর অস্ট্রেলিয়ার উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারি ও ওপেনার জ্যাক ওয়েদারাল্ডের সাথে মাছ শিকারে রোমাঞ্চকর সময় কাটান বাংলাদেশ পেসার তাসকিন। আড্ডায়ও মেতে ওঠেন। তাসকিন বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে পেরে আমরা সত্যিই সম্মানিত। নিঃসন্দেহে তারা বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি দল এবং তাদের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেট খেলাটা আমাদের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য অত্যন্ত গর্বের। নিঃসন্দেহে এটি আমাদের জন্য সহজ সিরিজ হবে না, কিন্তু তারপরও আমরা আসন্ন সিরিজে খুব ভালো করার আশা রাখছি।’
অস্ট্রেলিয়ার প্রতি সুরভিত কণ্ঠে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন তাসকিন। ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ, ২০১৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন। ১২ বছর আগে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টি-টুয়েন্টি ম্যাচে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় টাইগার পেসারের। অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোন আন্তর্জাতিক সিরিজে তাদের মুখোমুখি হননি তিনি। বললেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি অস্ট্রেলিয়া দলের খেলোয়াড়দের, সেরা ফাস্ট বোলার এবং কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের দেখে আসছি। এখন সত্যিই তাদের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেয়েছি। তাই আমি খুবই উচ্ছ্বসিত।’
অস্ট্রেলিয়ার মাটি কিংবা অজি বোলার, উভয়ই তাসকিনের বেশ পছন্দের, ‘বোলিং করার জন্য অস্ট্রেলিয়া আমার প্রিয় জায়গা। আমি স্টার্ক, হ্যাজেলউড, কামিন্স, এমনকি বোল্যান্ডকেও ভালো খেলতে দেখেছি। যদি তাদের সাথে কথা বলার সুযোগ পাই, আমি অবশ্যই তা করব।’
আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনের ডিএক্সসি অ্যারেনায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। গত ৩১ জুলাই দেশ ছাড়ে বাংলাদেশ দল। মূল সিরিজ শুরুর আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ইনিংস এবং ৩৮ রানে হেরেছে টিম টাইগার্স।








