ডারউইনে দাপট দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ম্যাকাই টেস্টে দেখল মুদ্রার অপর পিঠ। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর বল হাতে পাল্টা জবাব দিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ টিম টাইগার্স। তাতে এক ইনিংস ও ৫১ রানে হার দেখেছে বাংলাদেশ। তবে ডারউইনে জিতে ১-১ সমতায় সিরিজ ড্রয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে ফিরছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
শনিবার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। ৩৪ ওভার ব্যাট করে ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারী দল। জবাবে নেমে ৫৩.২ ওভার ব্যাট করে ২১০ রানে থামে স্বাগতিকরা। ১৪৬ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ৩৮.৩ ওভারে ৯৫ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারী দল।
চলতি শতাব্দীতে দুই ইনিংসেই শত রানের আগে গুটিয়ে যাওয়ার তৃতীয় ঘটনা এটি। এরআগে ২০০২ সালে শারজায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তান ৫৯ ও ৫৩ রানে অলআউট হয়। এরপর ২০০৫ সালে হারারেতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৯ ও ৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। টেস্ট ইতিহাসে সবমিলিয়ে ১৮তম বার ঘটল এমন।
ম্যাকাইতে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটে নেমেও ধস দেখেছিল বাংলাদেশ। কেবল দুই ব্যাটারই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। শান্ত ৪৬ বলে ৩১ এবং মুশফিকুর রহিম ৮০ বলে ২৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।
অস্ট্রেলিয়া বোলারদের মধ্যে মিচেল স্টার্ক ৪ উইকেট নেন। প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন নেন ৩টি করে উইকেট।
এর আগে শনিবার প্রথম ইনিংসে ব্যাটে নেমে বাংলাদেশ ব্যাটাররা ধস দেখে। সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরিফুল। মিরাজ ও তাইজুল ১১ রান করে করেন। ১০ রান করেন হাসান মাহমুদ। বাকিদের কেউ পৌঁছাতে পারেনি দুই অঙ্কের ঘরে। বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৬৪ রানে।
অজি বোলারদের মধ্যে স্টার্ক ১০ ওভারে ৬ মেডেনসহ ১২ রানে ৬ উইকেট নেন। কামিন্স ৩ উইকেট এবং হ্যাজেলউড নেন এক উইকেট।
জবাবে নেমে ২১০ রান করে অস্ট্রেলিয়া। ৬৭ রান করেন করেন গ্রিন। স্টিভেন স্মিথ ৪২ রানে এবং ট্রাভিস হেড ২২ রানে আউট হন।
বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে শরিফুল ৭ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম।









