একই ভুলের পুনরাবৃত্তি, কাকে দায়ী করলেন হৃদয়
ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ

ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যাটিং ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হারের পর আফগানিস্তানের কাছেও ৭ উইকেটে হেরেছে তাওহীদ হৃদয়ের দল। টপঅর্ডারের ব্যর্থতাকেই হারের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন টাইগারদের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। তার মতে, অন্তত ১০০ রান কম করেছে বাংলাদেশ।
লিটন দাসের চোটরে কারণে ত্রিদেশীয় সিরিজে নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া হৃদয় ম্যাচ শেষে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। বলেছেন, ‘সত্যি বলতে আমরা একই ভুল বারবার করছি। ব্যাটিং ইউনিট আবারও ভুল করেছে। শুরুতেই আমরা কিছু উইকেট হারিয়ে ফেলি। এটাই হারের মূল কারণ। এটা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। তবে টপঅর্ডারের কলাপ্সই মূল কারণ। আমরা এটা নিয়ে কাজ করব।’
আসন্ন এশিয়া কাপ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার তাগিদও দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও উন্নতির প্রয়োজন দেখছেন তিনি। ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা জানিয়ে হৃদয় বলেন, ‘এই সিরিজ থেকে আসলে শিক্ষা নেওয়ার অনেক কিছুই আছে। ব্যাটিংয়ে, এমনকি ফিল্ডিংয়েও আমাদের কিছু জায়গায় উন্নতি করতে হবে। আমাদের হাতে সময় আছে। এশিয়া কাপ আবার আমাদের দেশেই হবে। আশা করি ঘুরে দাঁড়াব।’
দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা কতটা বড় ছিল, তা বোঝাতে গিয়ে ৪০-৫০ রানের ঘাটতির কথা নয়, বরং অন্তত ১০০ রান কম করার আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন হৃদয়। তাঁর মতে, ব্যাটিংয়ের জন্য অনুকূল উইকেটে টপ অর্ডার থেকেই বড় ইনিংস আসা জরুরি ছিল।
এ প্রসঙ্গে হৃদয় বলেন, ‘৪০-৫০ রান না। আমরা অন্তত ১০০ রান কম করেছি। এটা ব্যাটিংয়ের জন্য খুবই ভালো উইকেট। টপ অর্ডার থেকে বড় রান করতে হবে।’
ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলাদেশের দুর্বলতাগুলো আবারও সামনে এনেছে। সামনে গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট থাকায় সেই ঘাটতি কাটিয়ে ওঠাই এখন দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।




