এশিয়া কাপের সুপার ফোরে খেলতে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে কাঙ্খিত জয়টা পেয়েছে বাংলাদেশ। তানজিদের ফিফটিতে দেড়শতাধিক রানের সংগ্রহ গড়ার পর মোস্তাফিজ-নাসুমদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৮ রানে জিতেছে বাংলাদেশ।
গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচের দুটিতে জিতে বাংলাদেশের পয়েন্ট এখন চার। রানরেটে পিছিয়ে থাকায় পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে বাংলাদেশ। ২ ম্যাচে ২ জয়ে রানরেটে এগিয়ে থেকে শীর্ষে শ্রীলঙ্কা। আর ২ ম্যাচে ১ জয়ে ২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আফগানিস্তান। ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ম্যাচে লঙ্কানরা জিতলে অথবা ম্যাচটি পরিত্যক্ত হলে সুপার ফোরে যাবে বাংলাদেশ। অন্যথায় রানরেটের হিসেব কষতে হবে। যেখানে বেশ পিছিয়ে টিম টাইগার্স।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপপর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানের সংগ্রহ গড়ে টিম টাইগার্স। জবাবে নেমে ২০ ওভারে ১৪৬ রানে সবকটি উইকেট হারিয়ে থামে আফগানিস্তান।
রানতাড়ায় নেমে লড়াইটা জমিয়েছিল আফগানিস্তান ব্যাটাররা। অলরাউন্ডর আজমতউল্লাহ ওমরজাই ভালো করেছেন। ১ চার ও ৩ ছক্কায় ১৬ বলে ৩০ রান করেন। ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩১ বলে ৩৫ রান করে রহমানুল্লাহ গুরবাজ। ২ চার ও ১ ছক্কায় রশিদ খান করেন ১১ বলে ২০ রান। এছাড়া গুলবাদিন নাইব ১৪ বলে ১৬ বলে এবং মোহাম্মদ নবী ১৫ বলে ১৫ রান করেন। শেষ দিকে ৯ বলে ১৪ রান করেন নূর আহমেদ।
বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজ ৩ উইকেট নেন। নাসুম, তাসকিন ও রিশাদ নেন দুটি করে উইকেট।
এর আগে ব্যাটে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল বাংলাদেশের। উদ্বোধনী জুটিতে তানজিদ ও সাইফ হাসান ৪০ বলে ৬৩ রান করেন। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে সাইফ ফিরলে জুটি ভাঙে। রশিদ খানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২ চার ও এক ছক্কায় ২৮ বলে ৩০ রান করেন।
পরে লিটনকে এগিয়ে নেন তানজিদ। প্রথম ১০ ওভারে ৮৭ রান তোলে টিম টাইগার্স। ১১তম ওভারের প্রথম বলে লিটনকে ফেরান নূর আহমেদ। ১১ বলে ৯ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরে তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ক্যারিয়ারের সপ্তম টি-টুয়েন্টি ফিফটি করেন তানজিদ। ২৮ বলে ফিফটি করার পথে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কার মার।
১৩তম ওভারের পঞ্চম বলে দলীয় ১০৪ রানে ফেরেন তামিম। ৩১ বলে ৫২ রান করেন নূর আহমেদের বলে ক্যাচ দেন ইব্রাহিম জাদরানের হাতে। ১৬তম ওভারের তৃতীয় বলে দলীয় ১২১ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১১ বলে ১১ রান করা শামীমকে ফেরান রশিদ। ১৮.১ ওভারে ১৩৯ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একটি করে চার ও ছক্কায় ২০ বলে ২৬ রান করা তাওহিদ হৃদয়কে ফেরান আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
পরে জাকের আলি অনিক ও নুরুল হাসান সোহান ইনিংস শেষ করেন। জাকের করে ১৩ বলে ১২ রান এবং সোহান ৬ বলে ১২ রান করেন।
আফগান বোলারদের মধ্যে নূর ও রশিদ নেন দুটি করে উইকেট নেন। আজমতউল্লাহ একটি উইকেট নেন।








