ফিফা বৃহস্পতিবার সবশেষ র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। দুই ধাপ এগিয়ে ১৪১তম স্থানে এসেছে কুয়েত। বাংলাদেশের অবস্থানের হয়নি পরিবর্তন, আগের ১৯২তম স্থানেই জামাল ভূঁইয়ার দল। বাংলাদেশের চেয়ে ৫১ ধাপ এগিয়ে থাকা কুয়েতকে বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখছেন অধিনায়ক।
প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণ করে সাফের সেমির টিকিট কাটা ক্যাবরেরার শিষ্যরা আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে। দীর্ঘ ১৪ বছর পর টুর্নামেন্টটির শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হওয়ায় শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ফাইনালে যাওয়ার আশার পালেও হাওয়া লেগেছে। অধিনায়ক জামালের কথাতেও ঝরেছে সেই আশাবাদ।
ম্যাচ শুরু শনিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে। শুক্রবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জামাল বললেন, ‘কুয়েত বেশ শক্তিশালী দল। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমরা নিজেদের উপর বিশ্বাস রাখছি। আমাদের ভালো খেলোয়াড় আছে, যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারে। প্রতিপক্ষকে দুমড়ে-মুচড়ে দিতে পারে। মানসিকভাবে ম্যাচটির জন্য আমরা শতভাগ প্রস্তুত।’
অতি-আত্মবিশ্বাস যেন হিতে বিপরীতে না হয়, সে ব্যাপারেও দলকে সতর্কবার্তা দিয়ে রাখলেন জামাল। বলেছেন, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। তবে অতি-আত্মবিশ্বাস ভালো নয়। কুয়েতের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। ভারতের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটা আমরা দেখেছি। আমাদের টিম মিটিংয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে। ফাইনাল থেকে আমরা একধাপ দূরে। আমরা শুধু অংশ নিতে আসিনি, ভালোকিছু করতে এসেছি। বাংলাদেশের অনেক মানুষ আমাদের খেলা দেখছেন, দোয়া করছেন। আমাদের ভালো কিছু করার দায়িত্ব আছে, দায়িত্ব নিতে হবে। আশা করি ভালো কিছুই করতে পারবো।’
একসময় মালদ্বীপ ও ভুটানের মতো প্রতিপক্ষকে বলে-কয়েই হারাতো বাংলাদেশ। সেই সুদিনের দেখা বহু বছর মেলেনি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও দল দুটির পেছনে পড়ে গেছে লাল-সবুজের দল। এবারের সাফে সেই হারানো অতীত ফেরানোর ইঙ্গিত মিলেছে। জামাল অন্তত এমনই মনে করছেন, ‘ইতিমধ্যে একধাপ পার করেছি। মালদ্বীপ ও ভুটানের প্রতি আমাদের সম্মান ছিল। আমাদের পরের ধাপ পেরোতে হবে।’
কুয়েতের বিপক্ষে ম্যাচের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জামাল বললেন, ‘আমাদের আক্রমণাত্মক হতে হবে। নিজেদের খেলাটা খেলতে হবে। নিজেদের উপর ফোকাস থাকতে হবে। গোল হজম করা যাবে না, নিজেদের জালে বল পাঠানো চলবে না। রক্ষণ ঠিক রাখা, পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার ব্যাপারেও নজর রাখতে হবে।’






