এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সদ্য প্রয়াত গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যুর ঘটনায় গেল সপ্তাহেই তার ব্যান্ডমেট শেখর জ্যোতি গোস্বামীকে গ্রেপ্তার করে আসাম পুলিশের বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি)। এবার গ্রেপ্তার হলেন গার্গের সহশিল্পী অমৃতপ্রভা মহান্ত। এ নিয়ে মামলায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল চার জনে!
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যাল চলাকালীন ১৯ সেপ্টেম্বর ইয়টে আয়োজিত এক পার্টিতে গোস্বামী ও মহান্ত গার্গের সঙ্গে ছিলেন। সেই সময়ই ৫২ বছর বয়সী জুবিন গার্গ সাঁতার কাটতে নেমে পানিতে মুখ নিচু অবস্থায় ভেসে ওঠেন।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে ড্রামার গোস্বামী গার্গের একেবারে কাছাকাছি সাঁতার কাটছিলেন, আর মহান্ত পুরো ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করেন। তাদের দু’জনকে গত ছয় দিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। শুক্রবার প্রধান বিচারিক হাকিমের আদালত তাদের ১৪ দিনের সিআইডি হেফাজতে পাঠিয়েছে।
এর আগে বুধবার জুবিনের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা এবং নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যাল ম্যানেজার শ্যামকানু মহান্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধেও হত্যা, খুনের চেষ্টা, ফৌজদারি ষড়যন্ত্র এবং অবহেলার কারণে মৃত্যু- এই অভিযোগগুলো আনা হয়েছে।
আসাম সিআইডির বিশেষ মহাপরিচালক ও এসআইটি প্রধান মুন্না গুপ্তা জানান, “তদন্ত চলছে, এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে আমরা ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৩ ধারা (হত্যা) যুক্ত করেছি।”
অন্যদিকে, জুবিন গার্গের স্ত্রী গরিমা গার্গ বলেছেন, তিনি বিচার ব্যবস্থার প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তিনি বলেন, “তদন্ত চলছে, তাই এই মুহূর্তে মন্তব্য করা উচিত নয়। আমাদের আইন ব্যবস্থা যথাযথ তদন্ত করবে এবং খুব শিগগিরই আমরা জানতে পারব আসল সত্যটা কী। যে দোষী হবে, তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।”
সিআইডি জানিয়েছে, সিঙ্গাপুর থেকে প্রমাণ সংগ্রহের অনুমোদন পেলেই তদন্ত দল সেখানে যাবে।
মুন্না বলেন, “আমাদের দল প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে। সঠিক প্রক্রিয়ায় অনুরোধ পাঠানো হয়েছে, অনুমোদন পেতে কিছুটা সময় লাগবে।” –এনডিটিভি








