তখন তিনি ২৩ বছরের টগবগে, ২০১৩ সালে যখন রিয়াল মাদ্রিদে এসেছিলেন গ্যারেথ বেল। ক্লাবটির বহু সাফল্যের কারিগর তিনি। সেসব দিন পেরিয়ে ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে অবস্থান এখন। ভাটা পড়েছে পারফরম্যান্সেও। ইচ্ছে থাকার পরও তাই ছেড়ে দিতে হচ্ছে ভালোবাসার ক্লাব রিয়ালকে। বিদায়বেলায় আবেগী না হয়ে পারেননি বেলও।
নয় বছরের লম্বা ক্যারিয়ারে ৫টি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। যদিও কার্লো আনচেলত্তির দলে হয়ে ওঠেন অনিয়মিত। তার আগে জিনেদিন জিদানের গুডবুক থেকেও নাম কাটা যায়। কখনও চোট, কখনও কোচের রোষানলে পড়েছেন। শেষটা রঙিন হল না। আক্ষেপ এতটুকুই।
‘এই বার্তাটি আমার অতীত এবং বর্তমানের সমস্ত সতীর্থদের, পরিচালকদের, ব্যাকরুমের স্টাফদের এবং আমাকে সমর্থনকারী ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে লিখছি।’
‘নয় বছর আগে একজন যুবক হিসেবে এখানে এসেছিলাম। যে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। আদিম সাদা কিট পরতে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে খেলতে, শিরোপা জিততে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার অংশ হতে।’
‘এখন পিছনে ফিরে তাকাতে পারি এবং সততার সাথে বলতে পারি এই স্বপ্নটি বাস্তবে পরিণত হয়েছে এবং আমাকে অনেককিছু দিয়েছে। ক্লাবের হয়ে যা অর্জন করেছি, তা কখনোই ভুলব না। এই ক্লাবের ইতিহাসের অংশ হওয়া এবং রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় থাকাকালীন আমরা যা অর্জন করেছি, তা অর্জন করা একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা। যা কখনোই ভুলব না।’
‘আমি প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ, হোসে অ্যাঞ্জেল সানচেজ এবং বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমাকে এই ক্লাবে খেলার সুযোগ দেয়ার জন্য। আমরা একসাথে এমনকিছু মুহূর্ত তৈরি করতে পেরেছি যা এই ক্লাব এবং ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। এটি একটি সম্মানের বিষয়, ধন্যবাদ, মাদ্রিদ!’







