পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন অবমাননার মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান বিরোধী নেতা ইমরান খান ও তার ঘনিষ্ঠ দুই রাজনৈতিক সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
নিসার দুররানির নেতৃত্বে পাকিস্তানের চার সদস্যের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) বেঞ্চ ইমরান খান এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ইসিপি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিকান্দার সুলতান রাজার বিরুদ্ধে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের শীর্ষ নেতাদের দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে মামলাটি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা বাকি দুজন হলেন পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের (পিটিআই) জ্যেষ্ঠ দুই নেতা আসাদ ওমর ও ফাওয়াদ চৌধুরী ।
ক্রিকেট থেকে রাজনীতিতে আসা ইমরান খান ২০২২ সালের ১০ এপ্রিল পার্লামেন্টে এক অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রীর পদ হারান তিনি। ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই আগাম নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে ইমরান ও তার দল পিটিআইয়ের জ্যেষ্ঠ নেতারা। দলটি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন বারবার। ইমরান খান পিটিআইয়ের বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রকাশ্যে দাবি করে বলেছিলেন—নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিকান্দার সুলতান রাজা পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন জোট সরকারের ‘আজ্ঞাবহে’ পরিণত হয়েছেন।
বেশ কিছুদিন ধরেই প্রধান নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে অবিলম্বে আন্দোলন শুরু করার হুমকিও দিয়েছিলেন ইমরান খান।







