সমালোচনার মুখে পড়েছে বাবর আজমের পারফরম্যান্স। চলতি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ১০০’র নিচে রয়েছে তার স্ট্রাইক রেট। বুধবার বাচা-মরার ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে দলে থাকা সত্ত্বেও নামানো হয়নি তাকে। সে ম্যাচে অবশ্য পাকিস্তান ১০২ রানে জিতে নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের সুপার এইট। তবে কেন চারে ব্যাট করতে নামা বাবরকে এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঁচের পরও নামানো হয়নি সে বিষয় কথা বলেছেন প্রধান কোচ মাইক হেসন।
আসরে এপর্যন্ত তার সর্বোচ্চ রান ৩২ বলে ৪৬, ১৪৩ স্ট্রাইক রেট এ রান করেন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। কিন্তু বাকি দুই ম্যাচে ব্যাটে নেমে ভারতের বিপক্ষে ৭১ স্ট্রাইক রেটে করেন ৭ বলে ৫ রান এবং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৮৩ স্ট্রাইক রেটে ১৮ বলে করেন ১৫ রান। গত বছরের এশিয়া কাপেও একই কারণে বাবরকে দলে রাখা হয়নি। এমনকি বিগ ব্যাশ লিগে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরেও তাকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে নেয়া হয়েছে।
টি-টুয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের মালিক বাবর আজম, যার রানের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৭১। তবে নামিবিয়ার সাথে দলে থাকলেও ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ হয়নি বাবর আজমের। সাধারণত তিন কিংবা চারে ব্যাট করতে নামেন তিনি, সে ম্যাচে পাঁচ জন ব্যাটার ক্রিজে নামলেও বাবরকে নামানি কোচ। তার আগে খাজা নাফে ও শাদাব খানকে ক্রিজে পাঠানো হয়। নাফে সুবিধা করতে না পারলেও শাদাব ২২ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের একটি ইনিংস খেলেন। অর্থাৎ পাওয়ার প্লেতে দলের দ্রুত রানের প্রয়োজনে বাবরের ভূমিকা নেই বললেই চলে। এইরকম পরিস্থিতিতে কোচের আস্থায় বাবরের নাম নেই সেটা স্পষ্ট।
এদিকে শুক্রবার বৃষ্টিতে ভেসে যায় দ্বিতীয় পর্বে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পাকিস্তানের শেষ অনুশীলন সেশনের। তার পরেই সংবাদ সম্মেলনে আসেন হেসন। সেখানে বাবরের বিষয় বলেছেন, ‘আমি মনে করি বাবর ভালোভাবেই জানে যে বিশ্বকাপে পাওয়ার প্লেতে তার স্ট্রাইক রেট ১০০’র কম। এটা স্পষ্টতই সেই ভূমিকা নয়, যা আমরা এই সময়ে চাই।’
‘এশিয়া কাপের পর আমরা নির্দিষ্ট একটি ভূমিকায় বাবরকে দলে ফিরিয়েছিলাম। আমাদের দলে আরও অনেক বিকল্প রয়েছে, যারা শেষের দিকে এসে সেই ভূমিকা ভালোভাবে পালন করতে পারেন। বাবর নিজেও বিষয়টি স্বীকার করেন। সে জানে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী তার কিছু নির্দিষ্ট দক্ষতা আছে, আবার কিছু সময়ে অন্য খেলোয়াড়রা সেই ভূমিকা আরও কার্যকরভাবে পালন করতে পারে।’
সুপার এইটের উদ্বোধনী ম্যাচে শনিবার কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। বাংলাদেশ সময় ম্যাচটি হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।








