শুরুটা দেখেশুনে করে শেষপর্যন্ত বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। একের পর এক ব্যাটার এসেছেন আর ফিরে গেছেন। যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ দুশোও পার করতে পারেনি। টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ ক্রিকেট উপহার দিয়ে ফাইনালে সেভাবে হাসেনি কারও ব্যাট। লোয়ার মিডল অর্ডারের ফরিদ হাসান দায়িত্ব নেন, দলকে লড়ার মতো সংগ্রহে পৌঁছে দিতে। ফিফটিহীন ইনিংসের শেষে ভারতকে ১৯৯ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে বাংলাদেশ।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে টসে হেরে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারের ৫ বল বাকি থাকতে সব উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রানে পুঁজি দাঁড় করিয়েছে আজিজুল হাকিম তামিমের দল।
বাংলাদেশের ইনিংসে প্রথম আঘাত হানেন ভারতের যুধাজিৎ গুহ। ১৭ রানে ওপেনিং জুটি ভেঙে ফর্মে থাকা কালাম সিদ্দিকীকে সাজঘরের পথ দেখান মিডিয়াম পেসার। ১ রান আসে কালামের ব্যাটে।
আরেক ওপেনার জাওয়াদ আবরারকে নিয়ে দেখেশুনে এগোতে থাকেন ছন্দে থাকা আজিজুল হাকিম তামিম। ২০ রান করে আববার আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে লাল-সবুজ দল। চাপ আরও বাড়ে ছন্দে থাকা অধিনায়ক আজিজুল আউট হলে। ১৬ রান আসে তার ব্যাটে।
৬৬ রানে ৩ উইকেট হারালে হাল ধরেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস-রিজান হোসেন। জুটিটি ভাঙেন ভারতের আয়ুষ মাত্রে। ৬২ রানের জুটি ভেঙে আউট হন শিহাব। ৪ চার ও এক ছয়ে ৬৭ বলে ৪০ রান করে যান। পরে দেবাশীষ দেবা ফেরেন কেবল ১ রানে।
৬৫ বলে ৪৭ রান করে রিজান ফিরে গেলে পরপর দুই ওভারে সামিউন বাসির ও আল ফাহাদের উইকেট তুলে নেয় ভারত। বাকিদের আসা-যাওয়ার মাঝে শেষদিকে উইকেটরক্ষক ফরিদ হাসানের ব্যাটে এসেছে ৩৯ রান। ৫ বল বাকি থাকতে সব উইকেট হারিয়ে বসে লাল-সবুজের দল।
ভারতের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন চেতন শর্মা, হার্দিক রাজ ও গুহ।










