অস্ট্রিয়া ম্যাচে নাকে চোট পেয়েছিলেন কাইলিয়ান এমবাপে। চোটের কারণে নামা হয়নি নেদারল্যান্ডস ম্যাচে। ফরাসি তারকা গ্রুপপর্বেই ফিরেছেন মাঠে, মাস্ক পরে। গোলও পেয়েছেন, তবে পোল্যান্ডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেই ক্ষান্ত হতে হয়েছে ফরাসিদের।
গ্রুপ ‘ডি’র অন্য ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে অস্ট্রিয়া। দুর্দান্ত জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউট পর্বে পা রেখেছে তারা। ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ ফ্রান্স। ডাচদেরও অবশ্য আশা টিকে আছে। তৃতীয় চারটি দলের মাঝে তারা এগিয়ে আছে বেশ শক্তভাবেই। আর গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে পোলিশদের।
ডর্টমুন্ডে বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে পোল্যান্ড ও ফ্রান্সের। গোল শূন্য সমতাতেই শেষ হয় প্রথামার্ধ। বিরতির পর লিড পায় ফ্রান্স। ৫৫ মিনিটে পোল্যান্ডের বক্সে ফাউলের শিকার হন উসমান দেম্বেলে। স্পট কিকে ইউরোতে নিজের প্রথম গোল আদায় করে নেন এমবাপে।
বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি ফ্রান্স। ৭৬ মিনিটে তাদের খেলোয়াড় উপামেকানো ফাউল করেন সুইডারস্কিকে। রেফারি ভিএআর দেখে পেনাল্টি দেন পোল্যান্ডকে। স্পট কিকে লেভান্ডোভস্কির শট ঠেকিয়ে দেন মাইক ম্যাগনান। ফিরতে বলে গোল আদায় করে নেন পোলিশ তারকা।
অন্য ম্যাচে নেদারল্যান্ডস-অস্ট্রিয়ার লড়াই জমেছিল বেশ। বার্লিনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে পাঁচ গোলের থ্রিলার জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অস্ট্রিয়া। ইউরোর ইতিহাসে চতুর্থবার খেলতে নেমে এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শেষ ষোলো নিশ্চিত করল দলটি।
ম্যাচের শুরুতেই অস্ট্রিয়াকে লিড উপহার দেন নেদারল্যান্ডসের ডোনিয়েল মালেন। ষষ্ঠ মিনিটে নিজেদের জালে বল পাঠান। ১-০ গোলে এগিয়েই বিরতিতে যায় অস্ট্রিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে নেমেই কোডি গাকপোর গোলে সমতায় ফেরে নেদারল্যান্ডস।
৫৯ মিনিটে রোমানো শুমিডের গোলে ফের অস্ট্রিয়া লিড নেয়। ৭৫ মিনিটে গোল শোধ দেন মেম্ফিস ডিপে। পাঁচ মিনিট পর ফের এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া। মার্সেল স্যাবিটাইজারের বাঁ পায়ের রকেট গতির কোনাকুনি শট জালে জড়ালে জয়ের আনন্দে মাতে তারা।








