গাভাস্কার-বোর্ডার সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ইন্দোরের হলকার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্পিন ফাঁদ বানিয়েছিল স্বাগতিক ভারত। মাত্র দুইদিন আর এক সেশনেই নির্ধারিত হয়েছে ম্যাচের ফলাফল। বাজি জিতেছেন স্পিনাররাই। তবে ভারত নয়, সফরকারী দলের স্পিনাররা ছিনিয়ে নিয়েছেন ম্যাচ। শেষে বাজে পিচ বানানোর শাস্তি পেতে হল স্বাগতিকদের। পিচে ভারসাম্য না থাকায় ভেন্যুটিকে ৩টি ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে আইসিসি।
ইন্দোরে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ম্যাচটি ৯ উইকেটে হেরেছে ভারত। ম্যাচ শেষে দুই দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিবেদন জমা দেন ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পিচ এবং আউটফিল্ড মনিটরিং প্রক্রিয়ার অধীনে ডিমেরিট পয়েন্টের শাস্তি দিয়েছে আইসিসি। পাশাপাশি এটিকে ‘বাজে পিচ’ বলেও আখ্যা দেয়া হয়েছে। আইসিসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ১৪ দিন সময় পাবে।
ইন্দোর টেস্টে প্রথমদিন থেকেই দুদলের স্পিনাররা পিচ সুবিধা পেয়েছেন। প্রথমদিনে উইকেট পড়েছিল ১৪টি। দুদিন ও এক সেশন মিলিয়ে চার ইনিংসে আউট হয়েছেন মোট ৩১ ব্যাটার। যার মধ্যে ২৬ ব্যাটারকে ফিরিয়েছেন স্পিনাররা। পেসাররা পান মাত্র ৪ উইকেট। রানআউট হন একজন।
পিচ নিয়ে ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড বলেছেন, ‘পিচ খুব শুষ্ক ছিল, ব্যাট ও বলের মধ্যে ভারসাম্য ছিল না। শুরু থেকেই তা স্পিনারদের পক্ষে ছিল। ম্যাচের পঞ্চম বল থেকেই পিচ ভেঙে যেতে থাকে। ফলে পেসাররাও অনিয়ন্ত্রিত সুইং পেতে থাকে। ম্যাচজুড়ে বাউন্সেও সমতা ছিল না।’
আইসিসি পিচ এবং আউটফিল্ড মনিটরিং প্রক্রিয়া অনুযায়ী, কোন ভেন্যু যদি পাঁচ বছরের মধ্যে পাঁচ বা ততোধিক ডিমেরিট পয়েন্ট পায়, তাহলে একবছরের জন্য আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন থেকে ভেন্যুটিকে বিরত রাখা হয়।







