ইনিংসের শুরুতে কিছুটা চাপে পড়লেও অধিনায়ক বাবর আজম এবং ইফতিখার আহমেদের সেঞ্চুরিতে নেপালকে বিশাল লক্ষ্য দিয়েছে পাকিস্তান। বাবর ক্যারিয়ারের ১৯তম সেঞ্চুরি তুলে থেমেছেন ১৫১ রানে, ইফতিখার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তান তুলেছে ৩৪২ রান।
মুলতান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন স্বাগতিক অধিনায়ক বাবর আজম। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৪২ রান তুলেছে পাকিস্তান।
পাকিস্তান ইনিংসের সর্বোচ্চ রান অধিনায়ক বাবরের। আসরের প্রথম সেঞ্চুরিটি আসে ১০৯ বলে। এশিয়া কাপে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংসের মালিক হয়েছেন বাবর। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ১৫০ রানের দেখা পেয়েছেন। ১৩১ বলে ১৫১ রানে সোমপারের বলে ক্যাচ হয়ে থামে তার ইনিংস। যা ১৪ চারের সঙ্গে ৪ ছয়ের মারে সাজানো।
ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ডানহাতি ইফতিখার আহমেদের। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি মাত্র ৬৭ বলে তুলেছেন। ঝড়ো ইনিংসে ৭১ বলে ১০৯ রানে অপরাজিত থাকেন। ইনিংস সাজানো ১১ চারের সঙ্গে ৪ ছক্কায়।
ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ইফতেখার ও বাবর ১৩১ বলে ২১৪ রানের বিশাল জুটি গড়েন। জুটিতে বাবরের ৬০ বলে ১০২ এবং ইফতিখারের ৭১ বলে ১০৯ রানের অবদান।
নেপালের বিপক্ষে ভালো শুরু করতে পারেননি পাকিস্তানের ওপেনাররা, ২৫ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ফখর জামান (১৪) ও ইমাম উল হকের (৫) উইকেট হারায় স্বাগতিক দল। তিনে নেমে বাবর ১০৬ বলে ৮৬ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ানের সাথে।
দিপেন্দ্র আইরের দুর্দান্ত থ্রোতে রানআউট হওয়ার আগে রিজওয়ান করে যান ৪৪ রান। পরে আগা সালমানের সাথে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন বাবর। ডানহাতি আগা বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। সন্দ্বীপ লামিচানের বলে আউট হওয়ার আগে করেন মাত্র ৫ রান।
নেপাল পেসার সোমপাল কামি ১০ ওভারে ৮৫ রানে নেন ২টি উইকেট। পেসার কারান খেত্রী ছেত্রী ৯ ওভারে ৫৪ রানে একটি ও স্পিনার সন্দ্বীপ লামিচানে ১০ ওভারে ৬৯ রানে একটি করে উইকেট নেন।








