পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৩৬ রানে ৩ টপঅর্ডার ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। পরে নাজমুল হোসেন শান্তর ফিফটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টিম টাইগার্স। দলের শতরানের আগে অবশ্য হারাতে হয়েছে আরেক ব্যাটারকে। লেগ বিফোরে ফিরে গেছেন তাওহিদ হৃদয়।
সাকিব আল হাসান ফেরার পর ৬৯ রানের জুটি গড়ে কিছুটা চাপমুক্ত করেন শান্ত ও হৃদয়। ২৩.৪ ওভারে দাসুন শানাকার বলে চার হাঁকিয়ে ফিফটি তুলে নেন শান্ত। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে হৃদয়কে স্ট্রাইক দেন। স্ট্রাইকে গিয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন হৃদয়। আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নিয়ে উইকেট আদায় করে নেয় লঙ্কান বাহিনী। হৃদয় ফিরেছেন ৪১ বলে ২০ রানে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬ ওভারে ৪ উইকেটে ১০১ রান। ৫৫ রানে অপরাজিত শান্তকে সঙ্গ দিচ্ছেন মুশফিকুর রহিম।
এর আগে টসে জিতে আগে ব্যাটিং নেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অনভিজ্ঞ দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও নাঈম শেখ জুটি বাধেন। লিটন দাস ছিটকে যাওয়ায় অভিষেকের জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি তানজিদকে। ২২ বছর বয়সী তরুণের শুরুটা অবশ্য হয় হতাশার। ওপেনার ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই।
কাসুন রাজিথার প্রথম ওভারের ৬টি বল মোকাবেলা করেন নাঈম শেখ। মারেন একটি বাউন্ডারি। দ্বিতীয় ওভারে স্ট্রাইক পান তানজিদ। দুই ওপেনারই বাঁহাতি হওয়ায় অফস্পিনার মাহেশ থিকসানাকে বোলিংয়ে আনেন লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা। তাতে শুরুতেই মেলে সফলতা।
প্রথম বল ব্যাটে লাগাতে পারেননি তানজিদ। বল লাগে প্যাডে। পরের বলে বাংলাদেশ ওপেনার হন এলবিডব্লিউ। বল স্টাম্পের ভেতর থাকায় রিভিউ নেয়ার প্রয়োজন হয়নি অভিষিক্ত তানজিদের।
তিন বাউন্ডারিতে ২৩ বলে ১৬ রান করে পরে সাজঘরে ফিরে যান নাঈম। দলের সংগ্রহ তখন ২৫। ধনঞ্জয়া ডি সিলভার অফস্পিনে ধরা পড়েন বাঁহাতি ওপেনার। পেসার পাথিরানার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সাকিব। ১১ বলে ৫ রান করে যান টাইগার অধিনায়ক। টানা তিন উইকেট পতনে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।








