ইংল্যান্ডের ‘বাজবল’ ক্রিকেট রীতিমতো কাঁপুনি ধরিয়ে দেয় প্রতিপক্ষের মনে। এবার ইংলিশদের বাজবল স্টাইলেই কুপোকাত করল অস্ট্রেলিয়া। পার্থে অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম টেস্টে মিচেল স্টার্কের রেকর্ড গড়া বোলিং ও ট্র্যাভিস হেডের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে মাত্র দুই দিনেই জয় পেয়েছে অজিরা। প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল স্বাগতিক দল। ৪ ডিসেম্বর ব্রিসবেনে হবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।
পার্থে শুক্রবার টসে জিতে আগে ব্যাটে নেমে ১৭২ রানে অলআউট হয় সফরকারী ইংল্যান্ড। জবাবে সুবিধা করতে পারেনি স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াও। স্টিভেন স্মিথের দল ১৩২ রানে অলআউট হলে ৪০ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটে নামে ইংল্যান্ড। তবে সুবিধা করতে পারেনি ইংলিশরা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৬৪ রানে বেন স্টোকসের দল গুটিয়ে গেলে ২০৫ রানে লক্ষ্য পায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
লক্ষ্যে নেমে হেড একাই করেছেন ৮৩ বলে ১২৩। ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পথে বাঁহাতি এ ব্যাটার তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন ৬৯ বলে, যা টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে রানতাড়ায় দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড। আর হেডের রেকর্ডে ভর করে অস্ট্রেলিয়া লক্ষ্য পেরিয়ে গেছে কেবল ২ উইকেট হারিয়ে।
ইংল্যান্ড শুধু ৮ উইকেটের ব্যবধানেই হারেনি, হেরেছে দুই দিনের মধ্যেই। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ ইতিহাসে দুই দিনের মধ্যে কেউ টেস্ট হারল ১০৪ বছর পর। ১৯২১ সালের মে মাসে নটিংহ্যামে অস্ট্রেলিয়া দুই দিনে জিতেছিল ১০ উইকেটে।
টেস্টের প্রথম তিন ইনিংসেই ছিল বোলারদের দাপট। প্রথম দিনে পড়েছিল ১৯ উইকেট। ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ড অলআউট হয়েছিল ১৭২ রানে। নিজেদের প্রথম ইনিংসে সুবিধা করতে পারেনি অজিরা। তারাও প্রথম দিনে হারায় ৯ উইকেট।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ১৩২ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ড লিড পায় ৪০ রানের। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারও ব্যর্থ ইংল্যান্ড। দেড় সেশনের মধ্যেই ১৬৪ রানে অলআউট হয় ইংলিশরা। দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের লিড দাঁড়ায় ২০৪ রান।








