চলে গেলেন ‘লাল পাহাড়ির দেশে’ গানের স্রষ্টা অরুণ চক্রবর্তী। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) গভীর রাতে ভারতের চুঁচুড়ার ফার্ম সাইড রোডের বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন এই কবি।
কবির পুত্রবধূ সুদেষ্ণা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, করোনার পর থেকেই তার ফুসফুসে সমস্যা ছিল। তবে শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন তিনি। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) কলকাতার মোহরকুঞ্জে জঙ্গলমহল অনুষ্ঠানেও যোগ দেন। সেখান থেকেই কিছুটা ঠান্ডা লেগেছিল। অতঃপর শুক্রবার গভীর রাতে চুঁচুড়ার ফার্ম সাইড রোডের বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জানা গেছে, শ্যামপুকুর ঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে তার। তবে তার আগে, এদিন অরুণ চক্রবর্তীকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার মরদেহ রাখা হবে রবীন্দ্র ভবনের মুক্তমঞ্চে। সেখানেই শায়িত থাকবেন তিনি কিছু সময়। তার অনুরাগীরা সেখানে এসেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন তাকে।
‘লাল পাহাড়ির দেশে যা’ এই গানটি শোনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়! তবে অনেকের কাছেই কিন্তু গীতিকার-সুরকারের নাম অজানা। তিনিই সেই অরুণ চক্রবর্তী, যা তাকে পরিচিতি এবং খ্যাতি এনে দিয়েছিল। তার রচিত কবিতা পরে গান হয়ে লোকের মুখে মুখে ফিরেছে। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও অরুণের পরিচিতি তৈরি করে দেয় এই গান। অরুণ চক্রবর্তী এই গানের গীতিকারও। আর সুর দেন ঝুমুর শিল্পী সুভাষ চক্রবর্তী।
অরুণ চক্রবর্তী মানেই লাল পোশাক, সঙ্গে কাঁধে ঝোলা ব্যাগ। সবাইকে তিনি বুড়ো বলে সম্বোধন করতেন। ছোটদের সঙ্গে দেখা হলে দিতেন চকোলেট। তিনি শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র ছিলেন। পরে হিন্দুস্তান মোটরসে চাকরি করতেন। চাকরির পাশাপাশি চলেছে তার কলমও। লিখেছেন বহু কবিতা। তবে জনপ্রিয় হয় তার লেখা ‘লাল পাহাড়ি দেশে যা’ গানটি। বর্তমানে কবির স্ত্রী সহ দুই পুত্র, তাঁদের স্ত্রী নাতি নাতনিরা রয়েছেন। -সংবাদ প্রতিদিন







