বুধবার (২ আগস্ট) সকালে বলিউডের খ্যাতিমান শিল্প নির্দেশক নীতিন চন্দ্রকান্ত দেশাইয়ের নিজস্ব স্টুডিও থেকে উদ্ধার করা হয় তার ঝুলন্ত মরদেহ। ময়না তদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যায়, গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণেই মৃত্যু হয়েছে নীতিনের। কিন্তু ঠিক কি কারণে নীতিন আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন? এ বিষয়ে শুরুতে কিছু জানা না গেলেও এবার জানা গেল, বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা ছিল তার মাথায়।
তবে কি এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করতে না পেরেই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার রাস্তা বেছে নিয়েছিলেন নীতিন? এ নিয়েই চলছে এখন নানান আলোচনা। এবার সে প্রসঙ্গেই মুখ খুললেন নীতিন দেশাইয়ের কন্যা মানসী। শনিবার (৫ আগস্ট) মানসী দেশাই একটি বিবৃতি জারি করেন। যেখানে তিনি স্পষ্ট করে দেন, কারও টাকা আত্মসাৎ করার কোন উদ্দেশ্যই তার বাবার ছিল না।
এএনআইকে মানসী বলেন, ‘আমার বাবার কারো সাথে প্রতারণা করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি যে সমস্ত অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা তিনি পূরণ করতেনই। তবে করোনার মহামারীর কারণে একটানা কোন কাজ ছিল না এবং স্টুডিও বন্ধ ছিল। এর কারণে তিনি আর নিয়মিত অর্থ প্রদানে সক্ষম হননি।’
মানসী আরও প্রকাশ করেছেন যে, তার বাবা একটি কোম্পানি থেকে ১৮১ কোটি ঋণ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে তিনি ৮৬.৩১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন। এবং বাকি অর্থও পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও তারা ছয় মাসের সুদ চেয়েছিল, যা তার বাবা অফিস বিক্রি করে পরিশোধ করেছিলেন। জালিয়াতি করার কোনো উদ্দেশ্যই ছিল না। কারণ তিনি তার দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ প্রদান করে যাচ্ছিলেন।’
এছাড়াও মানসী মিডিয়ার কাছে অনুরোধ জানান, তারা যেন তার বাবাকে নিয়ে মানহানিকর ও অপপ্রচারমূলক সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করে। সঙ্গে কোন তথ্যের দরকার পড়লে যেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তার বাবাকে নিয়ে অযথা মন গড়া সংবাদ প্রকাশেও বিরত থাকার অনুরোধ জানান মানসী।
সূত্র: পিঙ্কভিলা







