সামরিক আইন জারির চেষ্টার অভিযোগে সাউথ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে সিউলের একটি আদালত।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিদ্রোহ ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে একাধিক তদন্তের মুখোমুখি ইউন সুক ইওলকে গত দুই সপ্তাহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হওয়ার নির্দেশ উপেক্ষা করার পর এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
সাউথ কোরিয়ার উচ্চ-পদস্ত কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্ত কর্মকর্তা (সিআইও) জানান, সিউলের পশ্চিম জেলা আদালত সাবেক প্রসিডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। গত ৩ ডিসেম্বর তিনি সামরিক আইন জারির চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ। আদালতের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে আদালত জানিয়েছেন, অধিকতর তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সাউথ কোরিয়ায় কোনো প্রসেডেন্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ঘটনা এটিই প্রথম।
সাউথ কোরিয়ার বার্তাসংস্থা ইয়োনহাপ সিআইওকে উদ্ধৃত করে বলেছে, বর্তমান এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং এটি প্রয়োগ করা হলে ইউনকে সিউল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রাখা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কীভাবে কার্যকর হবে, তা স্পষ্ট নয়। তবে সাউথ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা সেবা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গ্রেপ্তার পরোয়ানা বাস্তবায়ন করা হবে।
অবশ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মঞ্জুর করার বিষয়ে আদালতের যুক্তি সম্পর্কে সিআইও কোনও মন্তব্য করেননি। আদালতও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।







