ব্রাজিলের মার্সেলো ভিয়েরার আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লুসিয়ানো সানচেজ। ইচ্ছাকৃতভাবে না হলেও ঘটনাটি ছিল ভয়াবহ। পা ভেঙে উল্টো দিকে গিয়ে মুচড়ে যাওয়ার ঘটনায় মার্সেলো নিজেও ভেঙে পড়েছিলেন কান্নায়। সেই ঘটনার ১০ দিন পর তাকে ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সাউথ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল। সঙ্গে ছয় হাজার ইউরো জরিমানাও গুনতে হবে ৩৫ বর্ষী তারকাকে।
তিন ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মার্সেলো এরইমধ্যে এক ম্যাচ মাঠের বাইরে ছিলেন। কোপা লিবার্তোদোরেসে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে মাঠে নামেননি। ওই ম্যাচে ২-০ গোলে জিতেছে তার দল ফ্লুমিনেন্স। কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগে খেলা হবে না তার।
বুয়েন্স আয়ার্সে ডিয়েগো ম্যারাডোনা স্টেডিয়ামে গত ১ আগস্ট মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিলের ক্লাব ফ্লুমিনেন্স ও আর্জেন্টিনার ক্লাব আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্স। সেই ম্যাচে দুঃখজনক ঘটনাটি ঘটে। ১-১ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে অনাকাঙ্ক্ষিত ফাউল করায় লাল কার্ড দেখেন ব্রাজিলিয়ান লেফট-ব্যাক।
সাউথ আমেরিকার ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর কোপা লিবার্তোদোরেসের সেই ম্যাচের ৫৬ মিনিটের মাথায় বল পায়ে কাটানোর চেষ্টা করেছিলেন মার্সেলো। বল ট্যাকল করতে গিয়ে বাঁ-পা বাড়ান সানচেজ। ওই সময় মার্সেলোর পা প্রতিপক্ষ দলের ২৯ বর্ষী খেলোয়াড়ের উপর গিয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে হতভম্ব হয়ে যান সবাই।
ঘটনায় মার্সেলো নিজেও ভেঙে পড়েন কান্নায়। ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘মাঠে আমি খুব কঠিন একটি সময় পার করেছি। কোনো উদ্দেশ্য ছাড়াই একজন ফুটবলারকে মারাত্মকভাবে আহত করেছি। তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। জগতের সবটুকু শক্তি তার সহায় হোক।’
সানচেজের এমন ‘দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার’ জন্য ব্রাজিলের উদ্বেগ দেখে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্স তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা প্রতিপক্ষ, তাদের শত্রু নই।’







