বুধবারে পৌর নির্বাচনের জন্য প্রচার শেষ হয়েছে। রাত ঠিক ১২টায় শেষ হয়ে গেলো ২৩৪টি পৌরসভার প্রার্থীদের আশ্বাস আর প্রতিশ্রুতির প্রচারণা পর্ব। ২৩৪টি পৌরসভার ৩ হাজার ৫শ ৫৫টি কেন্দ্রের ৭১ লাখ ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে মাঠে থাকা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ১৫ হাজার। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আছে বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ।
ভোট গ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন পৌর এলাকায় পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী উপকরণ।
মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯শ ৪৩ জন প্রার্থী, সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত আসনসহ মোট প্রার্থী ১২ হাজার ১শ ৬৯ জন।
নির্বাচন কমিশনের সচিব মো: সিরাজুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার ও বিজিবির সদস্যরা থাকবেন। র্যাবের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন। প্রতি পৌরসভাতে বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
সকল ভোটারকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই আনুমানিক এক লক্ষ ১৫ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাঠে থাকবে।
দলীয় প্রতীকে প্রথমবারের মতো পৌরভোটে অংশ নিচ্ছে নিবন্ধিত ২০টি রাজনৈতিক দল। এরইমধ্যে ৭টি পৌরসভায় বিজয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগের ৭জন মেয়র প্রার্থী। এখন আওয়ামী লীগ থেকে মেয়র পদে লড়াইয়ে আছেন ২২৭ জন, বিএনপি থেকে ২২২।
জনরায় মেনে নিতে সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানিয়েছে ইসি।
নির্বাচন কমিশন সচিব মো: সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২৩৪ টি পৌরসভার সকল পৌরবাসীর প্রতি আহ্বান জানাবো যে নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু শান্তিপুর্ন নির্বাচন আয়োজন করেছে, আপনার আসুন, আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন, আপনাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। আপনারা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসুন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলছি প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা ভোটারদের যে রায় তা মাথা পেতে নিবেন। কারণ এটিই গণতন্ত্রের মূলকথা।
ভোটের আগে এবং পরে নির্বাচনী পরিবেশ বির্তকমুক্ত রাখতে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীসহ রিটার্নিং অফিসারদের নিজ দায়িত্ব ভুলে না যাবার নির্দেশ দিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন।







