ওমরাহ্ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরব থেকে যেসব এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া বাংলাদেশীরা দেশে ফেরেননি সেসব এজেন্সির মালিকদের শাস্তির জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃমন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।
বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিন তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হয়েছে অবশিষ্ট আরো ৫২ এজেন্সি। এর আগে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ৫ সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি ১ সেপ্টেম্বর ৫২ এজেন্সির শুনানি গ্রহণ করেন।
ওমরাহ্ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরব থেকে ফেরেননি ১শ’৪ এজেন্সির ১১ হাজার ৪শ’ ৮৫ জন বাংলাদেশী। সেকারণে এ বছরের ২৩ মার্চ থেকে সব বাংলাদেশীর ওমরাহ্ ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে সৌদি সরকার। ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সেসব এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তদন্ত কমিটি গঠন করে এজেন্সির কর্মকর্তাদের হাজির হতে নির্দেশ দেন ধর্ম মন্ত্রণালয়।
তবে ওমরাহ্ এজেন্সির এজেন্টরা বলছেন, যাচাই-বাছাই করে ওমরাহ্ করতে ৯১৬ জনকে পঠিয়েছি। এরমধ্যে সবগুলো একসঙ্গে যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি। অনেকে আবার বলছেন, শুধু এজেন্সিদের দোষরোপ করলে হবে না। এর সঙ্গে অন্যান্য যারা জড়িত আছে তাদেরকেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
ওমরাহ্ নামে মানব পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত এজেন্সি মালিকদের শুনানি শেষে তাদের শাস্তির ব্যাপারে দ্রুতই সরকারের কাছে সুপারিশ করবে তদন্ত কমিটি।
তদন্ত কমিটির প্রধান ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শহিদুজ্জামান বলেন, যত দ্রুত সম্ভব এই সংক্রান্ত সকল তদন্ত সরকারের নিকট পেশ করা হবে। সরকারের কাছে সুপারিশ করার পর সরকারই ব্যবস্থা নিবে সেসব এজেন্সির বিরুদ্ধে। যেসব এজেন্সিরা এখনো তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হয়নি তাদের আবার ডাকা হবে বলেও জানান ধর্মসচিব।






