চার্চিল বলতেন, ‘পাবলিক মেমোরি ইজ ভেরি শর্ট’ অর্থাৎ জনতার স্মৃতি ক্ষণিকের। উক্তিটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আরো বেশি করে প্রযোজ্য হতে পারে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পরে পশ্চিম পাকিস্তান নানাভাবে আমাদের শোষণ করে এবং যার পরিণতি পায় ১৯৭১ সালের মুক্তিসংগ্রামে। হেন কোন কুকর্ম নাই যা পাকিস্তানিদের দ্বারা সংঘটিত হয়নি। ধর্ষণ, লুন্ঠন, গণহত্যা, ব্যভিচার ইত্যাদি জঘন্য কর্মকাণ্ড করেছিলো পশ্চিম পাকিস্তানিরা। এই পাকিস্তান কি কোনভাবে আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র হতে পারে!
অথচ এখনো কিছু কিছু বাংলাদেশিদের পাকিস্তান প্রেম দেখে বিচলিত হতে হয়। বিষয়টা এমন, আপনার বোনের সাথে কেউ অন্যায় আচরণ করলেও আপনি সেটাকে বৈধতা দিচ্ছেন, পাকিস্তানের সাথে সখ্যতা মানেই ১৯৭১ এর হীন অপকর্মের বৈধতা দেওয়ারই নামান্তর। বাস্তবে কি এটি আসলেই সম্ভব? স্বাধীনতার পরেও বাংলাদেশের ওআইসির সদস্য পদ এবং জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভের বিরোধিতা করেছিলো পাকিস্তান, এখনো বিশ্ব পরিসরে সুযোগ পেলেই বাংলাদেশের বিরোধিতায় পটু থাকে পাকিস্তান। অথচ সেই পাকিস্তান কোন বিবৃতি দিলে সেটিকে নিয়ে আমরা আলোচনা করে থাকি।
কিছুদিন পূর্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে বাংলাদেশস্থ পাকিস্তানের হাইকমিশন তাদের পেজে মতামত প্রদান করে। সেই বিষয়টা নিয়ে আমাদের দেশের কিছু মানুষ আগ্রহ দেখায়, বিষয়টা কিন্তু জোচ্চুরির নামান্তর। পাগলে কি না বলে আর ছাগলে কি না খায়, বিবৃতিটা এমন হয়েই দাঁড়িয়েছে। নিজের ঘর ঠিক না রেখে অন্যের ঘরের খবরাখবর নিয়ে মাথা ঘামানো যেন কাজ হয়েছে পাকিস্তানিদের।
সম্প্রতি ২৪ নভেম্বর পাকিস্তানে বোমা হামলায় ২ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং গত মে মাসে একটি বোমা হামলায় ২৫ জন নিহত এবং ৪০০ জন গুরুতর আহত হয়েছে। আমার খুব কষ্ট হয় যখন দেখি ক্রিকেটে বাংলাদেশ পাকিস্তান খেলা হলেও বাংলাদেশের অনেক দর্শক যারা পাকিস্তান ক্রিকেটের পক্ষপাতিত্ব করে থাকে। বিষয়টা এমন না যে, ৭১ এর সব ধরনের সহিংস আচরণের বৈধতা প্রদান করলেন আপনি।
আমার কিন্তু তাদের জন্ম পরিচয় নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ হয়। মধ্যযুগের প্রথিতযশা কবি আবদুল হাকিমের ভাষ্যানুযায়ী: “যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় না জানি। দেশী ভাষা বিদ্যা যার মনে না জুয়ায়। নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ না যায়।’’ বিষয়টা কিন্তু এমনই হওয়া উচিত, বাংলাদেশের খেলা চলাকালে যারা পাকিস্তান পাকিস্তান বলে চিল্লাচিল্লি করে থাকে তাদের দেশত্যাগ করে বিদেশে চলে যাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
শুধু পাকিস্তান নয়, বাংলাদেশের সাথে অন্য কোন দেশের খেলা চলাকালিন সময়ে যারা ভিন দেশের পক্ষপাতিত্ব করেন তাদের প্রত্যেকের বিদেশে চলে যাওয়া উচিত। অথচ এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ও দায় আছে কিছুটা। নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস ঠিকভাবে সরবরাহ করতে পারেনি রাষ্ট্র। কারণ, স্বাধীনতার পরে একটা দীর্ঘ সময় স্বাধীনতা বিরোধীরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল।
যে বিশেষ কয়েকটি নির্দেশককে উপযোজন করে ব্যর্থ রাষ্ট্রের সংজ্ঞা দেওয়া হয় তার মধ্যে অন্যতম হল শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং সরকারব্যবস্থা। এ উপাদানগুলো যদি হুমকির সন্মুখীন হয় তাহলে সেটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। এ বিষয়গুলো তখনই হয় যখন সহিংসতা বেড়ে যায় এবং দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে থাকে রাষ্ট্রের নাগরিকেরা। আমরা যদি প্রথম কারণটিকে সামনে নিয়ে আসি তাহলে নির্দ্ধিধায় বলা যায়, পকিস্তান একটি সহিংস তথা ব্যর্থ রাষ্ট্র। শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং এর বিকাশ ও বিস্তারের কাজটি সরকারের।
মনুষ্যত্ব, বিবেক এবং মননের জাগরণের মাধ্যমেই শিক্ষার সার্থকতা নিহিত। শিক্ষায় ব্যাপ্তির মাধ্যমে জনগণকে একীভূত করে সব ধরনের সহিংসতার বিপক্ষে দাঁড় করানো সম্ভব। পাশাপাশি ভুল পদ্ধতিতে শিক্ষার উপস্থাপন অনেক ক্ষেত্রেই সহিংসতার জন্য প্রভাবক হয়ে থাকে। তাই পরিস্থিতি এবং সহিংসতা বিবেচনায় পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থার মূলোৎপাটন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর দাবি সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন, তা ২০১১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ নিধনের চুক্তির পর থেকেই এ পর্যন্ত সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সুস্পষ্ট বিবরণ এবং হতাহতের চিত্র তুলে ধরণেই সহজেই মূল্যায়িত হয়। ২০১৬ সনের ২০ মার্চ লাহোরের হামলা পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। এ হামলায় প্রায় ৭২ জন নিহত হয় এবং গুরুতর আহত হয় ২৫ জন। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান থেকে দলছুট জামাত-উল-আহবার এ হামলার দায় স্বীকার করে।
তারা হামলার জন্য জনবহুল এলাকা বেছে নেন এবং সেটি ছিল ইস্টার সানডের অনুষ্ঠানের অব্যবহিত সময়ে, যেন বেশি মানুষ হতাহতের শিকার হয়। এ হামলাটি বিশ্বে কয়েকটি কারণে সকলের নজরে এসেছে। যার মধ্যে প্রধানতম হল হামলাটি হয়েছে সংখ্যালঘুদের উপর অর্থাৎ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপর। দ্বিতীয়ত: হামলায় হতাহত হয় শিশু ও নারী। এ দুটি বিশেষ কারণে হামলাটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে থাকে এবং পাশাপাশি এটি ইঙ্গিত করে যে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুরা নিরাপদহীন।
সম্প্রতি ইসলামাবাদে উগ্র ইসলামপন্থীদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সরকারের স্থায়িত্বশীলতা নিয়ে বিশৃঙ্খলাকরণ পাকিস্তানের সরকার ব্যবস্থাকে দুর্বল করে ফেলেছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাথে মিলিটারি ব্যবস্থার টানাপড়েন সরকারব্যবস্থাকে সবসময় ঘোলাটে করে রাখে। এখানে ক্ষমতার অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
রাষ্ট্র যে কেবল অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার অভাবে ব্যর্থ হয় তা নয়, পাশাপাশি প্রতিবেশি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগসূত্রের নেতিবাচকতা প্রভাবক হিসেবে কাজ করে থাকে। যেমন: পাকিস্তানের অনেক বিদ্রোহী গ্রুপ সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধের জন্য আমেরিকার সাথে চুক্তি করাকেই নেতিবাচক হিসেবে দেখে। এছাড়াও সরকারব্যবস্থা সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলে। সামরিক সরকার কয়েক দশক পাকিস্তান শাসন করায় গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর একটা দূরত্ব থেকেই যায়।
পাকিস্তানে বোমা হামলার ঘটনা নতুন নয়।
২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পেশোয়ারের তেহরিক-ই-তালেবানের ৭ সদস্যের অতর্কিতে সেনা নিয়ন্ত্রিত স্কুলে অনুপ্রবেশ এবং হামলায় বিদেশিসহ ১৪১ জন নিহত হয় যার মধ্যে ১৩২ জন স্কুলের ছাত্রছাত্রী এবং যাদের অধিকাংশের বয়স ৮-১৮ বছরের মধ্যে ছিল। নিরাপত্তাব্যবস্থা কতটা নাজুক থাকলে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত স্কুলে জঙ্গিরা হামলা চালায়। পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালের ২০ জানুয়ারি বাছা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ২২জন ছাত্র নিহত হয় সন্ত্রাসী আক্রমণে।
এ ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে অহরহ ঘটে যাচ্ছে, কিন্তু এর প্রতিকার কোথায়? আদর্শিক দ্বন্দ্ব, অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা অর্জন, টাকার জন্য সন্ত্রাসী কার্যাক্রমে অংশগ্রহণ, মৌলবাদ বিস্তারের প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক মহলের চাপ, আর্থিক জোগানদাতার পরামর্শ ইত্যাদি কারণে পাকিস্তানে মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদি কার্যক্রমের বিস্তার ও প্রসার লাভ করছে। এ বিষয়গুলো এখনই প্রমাণিত পাকিস্তানে, তবুও সুরাহা করতে পারছে না কেন? সেটিই এখন বিশ্ব বিবেকের কাছে প্রশ্ন?
তাহলে কি পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি দিন দিন জঙ্গি রাষ্ট্রে উপনীত হবে, অথবা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হবে? এ থেকে উত্তরণের জন্য পাকিস্তানের যে খুব একটা প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে তা কিন্তু কারোরি চোখে পড়ছে না। এভাবে চলতে থাকলে একদিন পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি অপরাধীদের অভ্য়ারণ্যে পরিণত হবে।
আমরা জানি আমেরিকা অস্ত্র ব্যবসায়ে সব থেকে শীর্ষে অবস্থান করছে এবং তাদের বৈদেশিক মুদ্রার অধিকাংশই আসে অস্ত্র ব্যবসা হতে। প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক, এত অস্ত্র কোথায় বিক্রি করছে তারা? আর জঙ্গি সংগঠনগুলো কোথায় অস্ত্র পায় বা নিজেরা অস্ত্র তৈরি করছে কি? মনে হয় নিজেরা তৈরি করতে সক্ষম নয় বা করলেও ছোটখাটো টাইপের তৈরি করতে পারে তাই সে ক্ষেত্রে ভারী অস্ত্র তাদের কিনতে হয়। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, কাদের কাছ থেকে অস্ত্র কিনছে তারা।
এ বিষয়টি যদি বোধগম্য না হয় তাহলে তো আর কিছুই বলার থাকে না। অথচ লাহোরে হামলার পর পাকিস্তানের কথিত বন্ধু রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসের শিকড় উপড়ে ফেলার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু কোথায় প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে? পাকিস্তানে সাম্প্রাদায়িক দ্বন্দ্ব, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব এবং রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে সহিংসতার মাত্রা ও তীব্রতা পূর্বের তুলনায় আরো জোরালো হচ্ছে এবং আক্রমনের ফলে হতাহতের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাকিস্তানে বহু জঙ্গী গ্রুপ তৈরি হচ্ছে যারা যে কোন মূল্যে রাষ্ট্র ক্ষমতার ভাগীদার হতে চায় এবং এ বিষয়গেুলো ক্রমেই পাকিস্তানকে জটিল অবস্থার দিকে ধাবিত করছে।
পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ জঙ্গি সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম হল: তেহরিক-ই-তালেবান, লস্কর-ই-উমর, সিপাহ-ই-সাহাবা, তেহরিক-ই-জাকেরিয়া, তেহরিক-ই-নাফাজ-ই-শরীয়তী-মোহাম্মদ, লস্কর-ই-জাহ্নবী, সিপাই-ই-মোহাম্মদ, জামাতুল-ফুকরা, নাদিম কমান্ডো, পপুলার ফ্রন্ট ফর আর্মড রেজিসটেন্স, মুসলিম-ইউনাইটেড আর্মি, হরকাত-আল-মুজাহিদিন। তাদের কার্যক্রম দেশের অভ্যন্তরেই হয়ে থাকে।
এছাড়া বাইরের দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে যে সব সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে তাদের মধ্যে অন্যতম হল: হিজবুল মুজাহিদিন, হরকাতুল আনসার, লস্কর-ই-তৈয়বা, হরকাতুল মুজাহিদিন, লস্কর-ই-জব্বার, আল জেহাদ, আল বারক, ইসলামী জামাতি তুলবা, মেজবাহ-এ-আজাদি, তেহরিক-ই-জেহাদ, পিপলস লীগ, মুসলিম জানবাজ ফোর্সসহ অসংখ্য জঙ্গিগ্রুপ তাদের কর্মকান্ড দেশের বাইরে সম্প্রসারণ করেছে।

চরমপন্থি গ্রুপের মধ্যে অন্যতম হল আল-রশিদ-ট্রাস্ট, আল-আকতার ট্রাস্ট, রাবিতা ট্রাস্ট এবং উম্মা-তামির-ই-নাউ। পাকিস্তানের সর্বশেষ কয়েক বছরের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১২ সালে ৬ হাজার ২১১ জন, ২০১৩ সালে ৫ হাজার ৩৭৯ জন, ২০১৪ সালে ৫ হাজার ৪৯৬ জন, ২০১৫ সনে ৩ হাজার ৬৮২ জন, ২০১৬ সনে ১৮০৩ জন এবং ২০১৭ সনে এ পর্যান্ত ১১৫৯ জন জঙ্গি হামলার শিকারের কারণে হতাহত হয়েছেন।
এ ধরনের বিশ্লেষণ থেকে জানা যায, পকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা একটি স্বাভাবিক বিষয় এবং ক্রমান্বয়ে দেশটি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হতে যাচ্ছে। তাছাড়া এধরনের হামলার সঙ্গে জনগণের অভ্যস্ততা থাকায় জনগণও হামলার সাথে একীভূত হয়ে পড়েছে এবং সংবাদমাধ্যমে সেভাবে গুরুত্ব দিয়ে সবিস্তারে লেখালেখি হচ্ছে না।
উল্লেখিত তথ্য উপাত্ত এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে অনুধাবন করা যায়, দিন দিন পাকিস্তান ব্যর্থ থেকে ক্রমান্বয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। এ ব্যর্থতার দায় প্রশাসনের তথা পাকিস্তান সরকারের। পাকিস্তানে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অনুপস্থিতি ব্যর্থ রাষ্ট্রেরই নিয়ামক।
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)







