নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভূঁইগড় রঘুনাথপুরে প্রেমে বাধা দেয়ায় প্রেমিকার বাড়িতে হামলা ও প্রেমিকার বাবাকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছে প্রেমিক ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে দুইটি মাইক্রোবাস, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাথা ছুরিসহ সাতজনকে আটক করেছে।
নিহতের নাম মনীন্দ্র কুমার অধিকারী। মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোখলেছুর রহমান জানান, রঘুনাথ পুরের এক হিন্দু মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রাজধানীর শ্যামপুর এলাকার একটি সাউন্ড সিস্টেম দোকানের কর্মচারি তুহিনের। ধর্মীয় কারণে ওই মেয়ের বাবা প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নিয়ে ওই ছেলের সাথে সম্পর্ক না রাখার জন্য মেয়েকে নানাভাবে বোঝান। এরপরে এই মেয়ে তুহিনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এ কারণে তুহিন ক্ষুব্ধ হয়ে ওই মেয়েকে নানা হুমকি দিয়ে আসছিলো। এরপরে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তুহিন দুইটি মাইক্রোবাসে করে আট দশজন সন্ত্রাসী নিয়ে এসে বাড়িতে হামলা করে। ঘরে ঢুকে ঐ মেয়ের বাবাকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপালে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় ওই মেয়ে সাহসিকতার সঙ্গে দুই সন্ত্রাসীকে আটকে ফেলে।
পরে তুহিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তার সহযোগীরা মাইক্রোবাসে উঠে পালানোর সময় চেকপোর্টে পুলিশের হাতে ধরা পরে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাপাতি, দুইটি মাইক্রোবাসসহ সাতজনকে আটক করে।
তবে মূল পরিকল্পনাকারী তুহিন পালিয়ে যায়। পুলিশ তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।
তিনি আরো জানান, সন্ত্রাসীরা খুন করার পরিকল্পনা নিয়েই এই বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। পুলিশ লাশের ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।







