আদালত

আমানউল্লাহ আমানের আপিলের রায় ৩০ এপ্রিল

আমানউল্লাহ আমান হাস্যোজ্জ্বল মুখে, বাংলাদেশের রাজনীতির একজন নেতা. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

আমানউল্লাহ আমান বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ, হাস্যোজ্জ্বল মুখে, রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালে করা মামলায় সাজার রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান ও তার স্ত্রীর করা আপিলের শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো: আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বিভাগ রায়ের এই দিন ধার্য করেন।

আদালতে আমানউল্লাহ আমান ও তার স্ত্রীর আপিল আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। আর দুদকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আসিফ হাসান।

২০০৭ সালের ৬ মার্চ জরুরি অবস্থার মধ্যে আমান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। সে মামলায় ২০০৭ সালের ২১ জুন বিশেষ জজ আদালত আমানকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। আর সাবেরা আমানকে দেওয়া হয় তিন বছরের কারাদণ্ড। ওই রায়ের বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে আপিল করলে ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট হাইকোর্ট তাদের আপিল গ্রহণ করে খালাস দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করলে ২০১৪ সালের ২৬ মে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করে হাইকোর্টকে আমান দম্পতির আপিল পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে পুনঃশুনানি শেষে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আমান দম্পতির আপিল খারিজ করে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। সে রায়ে আমানের ১৩ বছর ও তার স্ত্রী সাবেরা আমানের তিন বছরের সাজা বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দী আমান লিভ টু আপিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। একপর্যায়ে ঢাকার আদালতে আমান আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। এরপর তার স্ত্রী আত্মসমর্পণ করলে তাকেও কারাগারে পাঠানো হয়। তবে পরবর্তীতে এই মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পান আমান উল্লাহ আমান ও তার স্ত্রী।

বিষয়:আমানউল্লাহ আমান সুপ্রিম কোর্ট

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…