ভারতের আহমদাবাদ থেকে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ২৪২ যাত্রীর মধ্যে মধ্যে বেঁচে আছেন মাত্র একজন। ফ্লাইটের উদ্ধার করা ‘ব্ল্যাক বক্স’ তদন্তের অগ্রগতির জন্য পাঠানো হতে পারে বিদেশে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট এআই১৭১ উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয়। মেঘানীনগর এলাকার বিজে মেডিকেল কলেজের হোস্টেল ভবনে আছড়ে পড়ে ফ্লাইটটি। এতে আগুন ধরে যায় ভবনটিতে।
ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার, তদন্তে অগ্রগতি
দুর্ঘটনার ২৮ ঘণ্টা পর গত সোমবার উদ্ধার করা হয় বিমানের ‘ব্ল্যাক বক্স’। সাধারণত ব্ল্যাক বক্স কমলা রঙের হয়ে থাকে যাতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে সহজে চেনা যায়। এই ‘ব্ল্যাক বক্স’ তদন্তের অগ্রগতির জন্য পাঠানো হতে পারে বিদেশে।
দুই ধরনের রেকর্ডার থাকে বিমানে:
ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (সিভিআর) যেটি ককপিটে পাইলটদের কথোপকথন, এলার্ট, রেডিও বার্তা রেকর্ড করে। যেহেতু ফ্লাইট এআই১৭১ একটি ২০১৪ সালের বোয়িং ৭৮৭ মডেল, যার ফলে এটি সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টা পর্যন্ত রেকর্ড করতে পারে।
ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (এফদিআর) যেটি বিমানের গতি, উচ্চতা, দিক, ভার্টিক্যাল অ্যাক্সেলারেশনসহ হাজারো ডেটা সংরক্ষণ করে।
ঘটনার সময়রেখা
বিমান মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৯ মিনিটে বিমানটি উড্ডয়ন করে। এক মিনিটেরও কম সময়ে এটি ৬০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছানোর আগেই সমস্যায় পড়ে।
উড্ডয়নের ৩৬ সেকেন্ড পর ককপিট থেকে একাধিকবার জরুরি সংকেত পাঠানো হয়। এটি আহমদাবাদ এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল গ্রহণ করে, কিন্তু তার পরপরই রেডিও সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিমানটি বিমানবন্দরের উত্তর-পূর্ব সীমানার পাশে অবস্থিত হোস্টেল ভবনে আছড়ে পড়ে। এতে ৩৩ জন মেডিকেল কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থী নিহত হন।
উদ্ধার ও তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। নিহতদের পরিবারকে সহায়তা এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থা।








