ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের উচ্চ ট্যারিফ নীতিতে বৈশ্বিক বাণিজ্যের দুর্দশার মধ্যে শুরু হয় এই সংঘাত। যা দীর্ঘায়িত হলে অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে।
আজ (৭ মার্চ) শনিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ হয়। প্রণালী বন্ধ থাকায় তেলের দাম ইতিমধ্যে ৮৪ থেকে ৯৪ ডলারে উঠেছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে দাম ১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে। ৫ সপ্তাহ ধরে সরবরাহ কম থাকলে দাম ১০০ ডলারে পৌঁছাবে। ট্রাম্পের ট্যারিফ যুদ্ধ ইতিমধ্যে সাপ্লাই চেইন বিঘ্নিত করেছে।
এর ওপর তেল-জ্বালানি সংকট যুক্ত হলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদহার বাড়াতে বাধ্য হবে, ভোক্তা ব্যয় কমবে এবং বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আইএমএফের হিসাবে, তেলের দাম ১০ শতাংশ বাড়লে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি শুন্য দশমিক ১৫ শতাংশ কমে। এশিয়ায় চীন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কারণ ৮০ শতাংশ তেল এশিয়ায় যায়।
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতি ও বাণিজ্য ব্যবস্থা ভাঙার প্রচেষ্টার মধ্যে এই যুদ্ধ যদি দীর্ঘ হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার দিকে ধাবিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।







