ডাকসু এবং জাকসুতে ভরাডুবির পর রাকসু নিয়ে নানা সমীকরণ ও উদ্বেগের মধ্যে আছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর হতে যাওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, রাকসু নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কি না, এ নিয়ে উদ্বিগ্ন রাকসু’র ছাত্রদল প্রার্থীরা।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২৫ শে সেপ্টেম্বর হবে রাকসুর ভোট। রাকসুতে এবার ২৪৮ জন ও সিনেটে ৫৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রোববার লটারির মাধ্যমে প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর প্রকাশের পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই চলছে প্রচার কাজ। শিক্ষার্থীদের নানাভাবে প্রভাবিত করাসহ ছাত্রশিবির আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে বলেও অভিযোগ ছাত্রদলের।
প্রচারে নেমে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে রাজশাহীতেও যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তার নাম ইসলামী ছাত্রশিবির। এ শিবিরের কাছেই তাদের হারতে হয়েছে ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগরে।
এই প্রসঙ্গে রাকসু জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী শেখ নুরুদ্দীন হাবিব জানান, নানা শঙ্কা থাকলেও ছাত্রদল প্রার্থীরা আশা করতে চান, নির্বাচন কমিশন রাকসু নির্বাচনকে বিতর্কিত হতে দেবেন না।
এদিকে ছাত্রদলসহ দু’টি সংগঠন ম্যানুয়ালি, অর্থাৎ হাতে হাতে ভোট গণনার দাবি জানালেও, মেশিনে ভোট গণনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার।







