ফ্রান্সে আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এতে জয় পেয়েছেন কট্টর ডানপন্থিরা। হতাশাজনক ফল পেয়েছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জোট। তবে ম্যাক্রোঁর দল আশা করছে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের মাধ্যমে উগ্র ডানপন্থীদের সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারেন।
সোমবার (১ জুলাই) বিবিসিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম থেকে এই তথ্য জানা যায়। এর আগে, রোববার (৩০ জুন) দেশটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
ফ্রান্সে আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে জয় পেয়েছে মারিন লা পেনের কট্টর ডানপন্থি দল আরএন। অন্যদিকে হতাশাজনক ফল পেয়েছে বামপন্থি জোট নিউ পপুলার ফ্রন্ট অ্যালায়েন্স এবং প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর দল। তবে আগামী ৭ জুলাই ভোটের পরবর্তী পর্ব বা রান অফ রাউন্ড। সেদিনই চূড়ান্ত হবে, ফরাসি পার্লামেন্টের ভবিষ্যৎ।
বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, মারিন লা পেনের কট্টর ডানপন্থি দল আরএন প্রথম পর্বে ৩৪ শতাংশ ভোট পেতে পারে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বামপন্থি নিউ পপুলার ফ্রন্ট অ্যালায়েন্স ২৮.৫ থেকে ২৯.১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। আর ম্যাক্রোঁর জোট পেয়েছে ২০.৫ শতাংশ থেকে ২১.৫ শতাংশ ভোট।
যদি উগ্র ডানপন্থী নেতা লে পেনের দল ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারে তাহলে ২৮ বছর বয়সী জর্ডান বারডেলাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
ফরাসি প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আটাল সতর্ক করেন, অতি ডানপন্থীরা এখন ‘ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে’। তিনি বলেন, ন্যাশনাল র্যালী দ্বিতীয় রাউন্ডে ‘একটি ভোট’ ও পাওয়া ঠিক হবে না। দ্বিতীয় দফা নির্বচনে ন্যাশনাল র্যালী জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী গাব্রিয়েল আটালকে জোর পূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হবে।
বামপন্থী জোটের প্রধান রাফায়েল গ্লুকসম্যান বলেন, ‘ফ্রান্সকে বিপর্যয় থেকে বাঁচাতে আমাদের কাছে সাত দিন সময় আছে।’








