বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেওয়ার এক দিনের মাথায় নিজের বক্তব্য থেকে সরে এলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী রঘুরাজ প্রতাপ সিং। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, তার মন্তব্য সালমান খানের উদ্দেশে নয়, বরং শাহরুখ খানের প্রসঙ্গেই বলা হয়েছিল।
এর আগে রঘুরাজ সিং প্রকাশ্যে সালমান খানকে ‘অ্যান্টি-ন্যাশনাল’ আখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি নাকি পাকিস্তানকে বেশি ভালোবাসেন এবং সেখানেই তার চলে যাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন। পাশাপাশি সালমান খানের সিনেমা বয়কটের আহ্বানও জানান তিনি। এসব মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রঘুরাজ সিং বলেন, “সালমান খান একজন ভালো অভিনেতা। আমি এই মন্তব্যটি আসলে শাহরুখ খানকে নিয়ে বলেছিলাম। ভুল করে সালমান খানের নাম বলে ফেলেছি।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন,“পাকিস্তান বিপদে পড়লেই শাহরুখ খান ২৬৫ কোটি টাকা দান করেন এবং ভারতে মব লিঞ্চিংয়ের বিষয়ে মুখ খোলেন। কিন্তু বাংলাদেশে যখন হিন্দুরা হত্যার শিকার হন, তখন তিনি নীরব থাকেন।”
ইন্ডিয়া টুডের উদ্ধৃতি দিয়ে এসব মন্তব্য তুলে ধরেন রঘুরাজ সিং। তবে তার এসব বিতর্কিত মন্তব্য এবারই নতুন নয়। আগেও বিতর্কে জড়িয়েছেন রঘুরাজ সিং। এর আগে হোলি উৎসবকে কেন্দ্র করে তার এক বক্তব্য ভারতজুড়ে সমালোচনার জন্ম দেয়।
তখন তিনি বলেছিলেন,“যারা হোলিতে রঙ এড়াতে চান, তারা ত্রিপল দিয়ে নিজেকে ঢেকে রাখুন- যেভাবে মুসলিম নারীরা হিজাব পরেন। পুরুষরাও তাদের টুপি ও কাপড় বাঁচাতে একই কাজ করতে পারেন। তা না পারলে ঘরে থাকাই ভালো।”
তার ধারাবাহিক বিতর্কিত বক্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছে। সালমান খানকে নিয়ে মন্তব্য প্রত্যাহার করলেও শাহরুখ খানকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক উসকে দেওয়ায় রঘুরাজ সিংয়ের বক্তব্য আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ডিএন ইন্ডিয়া








