বিয়ের সাত দিন পর প্রেমিকের সাথে পালাতে গেলে বাবা বাধা দেওয়ায় গাড়ি চাপা দিয়ে বাবাকে হত্যা করেছে মেয়ে এবং তার প্রেমিক। তাদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
সোমবার ২৫ ডিসেম্বর হিন্দুস্তান টাইমস’র প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের বোলপুর থানা বীরভূমের যজ্ঞনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রামের এক যুবকের সাথে মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেননি বাবা। মেয়ের বিয়েও দিয়েছিলেন অন্যত্র। কিন্তু বিয়ের পর অষ্টমঙ্গলায় বাবার বাড়িতে আসা মেয়ের ‘কীর্তি’তে স্তম্ভিত বীরভূমের যজ্ঞনগর গ্রামের বাসিন্দারা। অভিযোগ, সাবেক প্রেমিকের সাথে পালানোর সময় প্রাইভেটকার চাপায় হত্যা করেন নিজের বাবাকেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেয়েকে প্রেমিকের সাথে পালাতে দেখে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন বাবা কুদ্দুস শেখ। কিন্তু গাড়ি থামাননি যুগল। বৃদ্ধ বাবাকে চাপা দিয়েই চলে যান তারা। এই ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় কুদ্দুসকে বোলপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমানের হাসপাতালে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। বর্ধমান হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গ্রামবাসীরা জানান, কুদ্দুসের মেয়ে কুতুবা খাতুন গ্রামের গাজু শেখ নামে এক যুবকের সাথে প্রেম করতেন। কিন্তু তাদের সম্পর্ক মেনে নেননি কুদ্দুস। অন্য জায়গায় মেয়ের বিয়েও দেন তিনি। বিয়ের সাত দিনের মাথায় মেয়ে নতুন স্বামীকে নিয়ে অষ্টমঙ্গলা করতে আসেন। অভিযোগ, সেই আবার গাজুর সাথে কুতুবার যোগাযোগ হয় এবং তারা পালানোর পরিকল্পনা করেন। গাজুই গাড়ি নিয়ে হাজির হন কুতুবার বাড়িতে। এরপর ওই গাড়িতে করে দু’জনে পালানোর চেষ্টা করেন। সেই সময়েই ওই ঘটনা ঘটে।








