আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের মাঝপথে পেয়েছেন অধিনায়কত্ব। তামিম ইকবালের আকস্মিক অবসরে সহ-অধিনায়ক থেকে সিরিজের বাকি দুই ওয়ানডের জন্য পূর্ণ দায়িত্বে এসেছেন লিটন দাস। চ্যালেঞ্জে নামার আগে বলতে হল আগের ম্যাচের বিপর্যয় নিয়েও। দায়টা যে ব্যাটারদেরই ছিল, বললেন সেটা।
‘প্রথম ১০ ওভার চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে আমরা ভালো সামলে নিয়েছিলাম। পরে আমরা ব্যাটসম্যানরা এক্সিকিউশনটা ভুলভাল করেছি। যতগুলো উইকেট পড়েছিল, খুব ভালো বলে ছিল না। সবই স্কোরিং বল ছিল। যে কারণেই হোক এমন দিন যাবে যে স্কোরিং বলে আউট হবেন। গত ম্যাচটা এমনই ছিল।’
‘দুই-একজন ব্যতিক্রম ছাড়া ব্যাটসম্যানদের এক্সিকিউশন ভুল ছিল। আমরা কেউ ভালোভাবে আউট হইনি। চেষ্টা থাকবে বাজে ভুল যেন আমরা পরের ম্যাচে না করি। ভুল যতো কম করব, ততো আমাদের জন্য ভালো হবে।’
আগের ম্যাচের উইকেটে ছিল সবুজ ঘাস। দ্বিতীয় ওয়ানডের উইকেট নিয়ে কথা বলতেই নারাজ লিটন। সবকিছু সময়ের হাতেই ছাড়তে চাইলেন।
‘আগামীকালকের উইকেট কেমন হবে তা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। কারণ নতুন দিন, নতুন চ্যালেঞ্জ। কী হবে না হবে এটা আগামীকাল দেখা যাবে।’
অক্টোবরে ভারতে হতে চলা ওয়ানডে বিশ্বকাপে হাই-স্কোরিং ম্যাচ হবে বলেই অনুমান। ৩০০-৩৫০ স্কোর হতে পারে নিয়মিত। এরআগে আফগানদের সঙ্গে বাজে পারফরম্যান্স লাল-সবুজের দলের জন্য বড় ধাক্কা কিনা- এমন প্রশ্নে লিটন উত্তর দিলেন ভিন্ন আঙ্গিকে।
‘ধাক্কা বলব না। এটাও বলবো না যে ৩০০-ই করা লাগবে। উইকেট যদি ৩৫০-৪০০ রানের থাকে, আমরা যদি ভালোভাবে সেট হই, তাহলে অবশ্যই হবে। উইকেট যদি ডিমান্ড করে আড়াইশ করতে হবে, তাহলে আমরা ওইটাই চেষ্টা করব।’
স্বাগতিকদের ব্যাটিং বিপর্যয়ের বিপরীতে ফিফটি করা তাওহিদ হৃদয়ের প্রশংসার পাশাপাশি ধারাবাহিকতা দেখতে মরিয়া লিটন। বিষয়টি দলের জন্য ইতিবাচক বললেন।
‘যখন কোনো খেলোয়াড় পারফরম্যান্স করে, দলের জন্য তা খুব ভালো। চাই সে যেন ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে। আগামীকাল যদি ১০০ মারে, তাহলে অধিনায়ক হিসেবে আমার জন্য এরচেয়ে বড় পাওয়া থাকবে না। চাই যেন ওই জায়গায় (পাঁচ নম্বর পজিশন) ধারাবাহিকভাবে ভালো করতে পারে এবং বড় বড় রান করতে থাকে।’
শনিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দুপুর ২টায় গড়াবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে পিছিয়ে বাংলাদেশ।







