র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় চারুকলায় নিরাপত্তায় দায়িত্বে থাকাদের কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে। দায়িত্বে অবহেলা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ রোববার রমনা বটমূলে ‘বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উৎসব উদযাপনে র্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল শনিবার সিসিটিভি ক্যামেরা বিশ্লেষণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে নবববর্ষের শোভাযাত্রা উদযাপনের জন্য বানানো ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ মোটিফে আগুন দেওয়া একজনকে শনাক্ত করা গেছে। কালো টি-শার্ট, ব্রাউন প্যান্ট, কালো স্যান্ডেল পরা ও মাথার পেছনে চুল ঝুঁটি করা এক তরুণ চারুকলার মাঝখানের গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং আগুন দিয়ে একই পথে পালিয়ে যান। তবে এখনো তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সেসময় তিনি বলেন, কালো টি-শার্ট, ব্রাউন প্যান্ট, কালো স্যান্ডেল পরা ও পেছনে চুলে ঝুঁটি করা একটি ছেলে চারুকলার মাঝখানের গেট (৩ নম্বর গেট) টপকে প্রবেশ করে। কোথা থেকে ছেলেটা এসেছে তা বোঝা যায়নি।
নববর্ষ ঘিরে র্যাবের আগাম নিরাপত্তায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না জানতে চাইলে সংস্থাটির প্রধান শহিদুর রহমান বলেন: আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা ছিলেন তাদের কোনো ঘাটতি ছিল কি না। সেটা অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে। যদি সেরকম কিছু পাওয়া যায় তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, চারুকলায় যে ঘটনাটি ঘটেছে তার তদন্ত হবে। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল শনিবার ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে নববর্ষের শোভাযাত্রার জন্য বানানো দুটি মোটিফে আগুন পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানিয়েছে, তারা শনিবার ভোর ৫টা ৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায়। পুরান ঢাকার সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ৫টা ২২ মিনিটে আগুন নিভিয়ে ফেলে।








