আগামী অর্থবছরে এয়ার কন্ডিশনারের কম্প্রেসার রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহার করার সুপারিশ করা হয়েছে। ফলে বাড়তে যাচ্ছে বিলাসবহুল পণ্য হিসেবে চিহ্নিত এয়ার কন্ডিশনারের দাম। এতোদিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ এতদিন রেয়াতি হারে কম্প্রেসার আমদানি করতে পারত।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন শুরু হয়।
অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, এয়ারকন্ডিশনার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ বিদ্যমান প্রজ্ঞাপন অনুসারে রেয়াতি হারে কম্প্রেসর আমদানি করতে পারে। এয়ারকন্ডিশনার স্বল্প আয়ের জনগণ ব্যবহার করে না বিধায় এর আমদানি শুল্কে রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহার করার সুপারিশ করছি। এছাড়া বর্তমানে দেশে রেফ্রিজারেটর উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কম্প্রেসর উৎপাদন হয় বিধায় এ ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য বিদ্যমান প্রজ্ঞাপন হতে কম্প্রেসর প্রত্যাহার করার সুপারিশ করছি।
তিনি আরও বলেন, এয়ারকন্ডিশনার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান প্রজ্ঞাপনটি জুন, ২০২৬ পর্যন্ত বলবৎ রাখার লক্ষ্যে এর কার্যকারিতার মেয়াদ উল্লেখ করার সুপারিশ করছি। এছাড়া দেশীয় কম্প্রেসর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারে ব্যবহৃত কম্প্রেসর আমদানিতে ন্যূনতম মূল্য ধার্য করার প্রস্তাব করছি।
এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেট।
৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত এই বাজেট বক্তব্যের শিরোনাম ‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’। আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে।







