সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বীকৃতি একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত হলেন কিংবদন্তী আইয়ুব বাচ্চু। বৃহস্পতিবার বিকেলে সরকার এই ঘোষণা দেয়।
রাষ্ট্রের এই সম্মানে আবেগাপ্লুত এবি’র পরিবার। এই স্বীকৃতি নিয়ে কী বললেন আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা? পড়ুন তার কথা…
বাচ্চু বেঁচে থাকলে অনুভূতিটা হয়তো অন্যরকম হতো। তবুও তার মৃত্যুর পর রাষ্ট্র তাকে সম্মান জানিয়েছে এতে আলহামদুলিল্লাহ্। হয়তো সে ওপার থেকে সেটা জানতে পেরেছে। এই দেশ বাচ্চুর মতো শিল্পীকে মৃত্যুর পর হলেও সম্মান দিয়েছে এটাই আমাদের ভালো লাগার বিষয়।
শিল্পীরা চলে যাওয়ার পরেই আমাদের দেশে সম্মানটা বেশী দেয়া হয়। এটা আমাদের দেশের জন্য নিয়মের মতো হয়েছে। বেঁচে থাকলে বাচ্চু হয়তো আরও বেশি খুশী হতো। ওর পক্ষ থেকে আমি শুকরিয়া জানাই। মাঝেমধ্যে সে বেঁচে থাকতে বলতো, দেশ খেলোয়ারদের যেভাবে মূল্যায়ন করে একইভাবে শিল্পীদের করে না। অবশ্য সে এসবের আশা করতো না। বলতো, পদক না আমি আমার গানের মাধ্যমে বেঁচে থাকবো।
তবুও মৃত্যুর পর একুশে পদক পেয়ে আমরা এতে খুশী। আসলে শিল্পীরা তাদের কাজ দিয়ে যুগ-যুগান্তর মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। যারা বাচ্চুর গান বা বাংলা গান শোনে তারা যেন সবসময় বাচ্চুকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে যায়। ওর গান তো বেশীরভাগ লুটপাট হয়ে যাচ্ছে। তবুও আমি একজন নারী হয়ে কিছুটা করার চেষ্টা করেছি। মানুষ যেন স্মরণ রাখে বাচ্চুর একটা ভেঙে যাওয়া পরিবার কষ্ট করে এখনও বেঁচে আছে।








