চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

নোবেলের এক বিশ্বকাঙাল

জান্নাতুল বাকেয়া কেকাজান্নাতুল বাকেয়া কেকা
৭:০৮ অপরাহ্ণ ১৭, জানুয়ারি ২০২৬
মতামত
A A
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কথায় বলে, ‘কারও কাজের উপযুক্ত পুরস্কার হলো সম্মান।’ সেই ‘সম্মানে’র সংজ্ঞায়ন নতুন করে লিখতে হবে তার প্রকৃত স্বরূপে। কেননা বিশ্বের এযাবৎকালের সেরা কর্মের পুরস্কার ‘নোবেলে’র সম্মানহানি ঘটে গেছে। আর এই সম্মানহানির ইতিহাসের নির্লজ্জ পথপরিক্রমার ঘটনা ঘটিয়েছেন এক নারী— ভেনিজুয়েলার সদ্য নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। আর নোবেলের বিশ্বকাঙাল হিসেবে ইতিহাসে নয়া নজির স্থাপন করলেন বিশ্বের অসীম ক্ষমতাধর ব্যক্তি ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা তার নাম ও পদের প্রতি এক ধরনের অবিচার বলে কেউ কেউ মনে করেন।

অবশ‍্য কিছু কিছু ব্যক্তির প্রতিভার কাছে পুরস্কারের মানদণ্ড থাকে না। তবে এটাও ঠিক, বৃহস্পতিবার ভেনিজুয়েলার নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং ট্রাম্পকে তার বিজয়ী নোবেল উৎসর্গ করার ঘটনা ট্রাম্পের তিলকে ঠিক ঠিক নয়া সমীকরণের হিসেবের প্রাপ্যটাই পাইয়ে দিলো। তাই সেই পুরোনো প্রবাদের অদম্য বাক্যখানি স্মরণ করে পাঠককুলকে তার বক্তব্যের মজাটা অনুভবের সুযোগ দিয়ে লিপিবদ্ধ করছি— ‘পুরস্কার ও তিরস্কার—দুটিই পারস্পরিকভাবে মিলেই আমাদের জীবনকে বিভিন্ন রকম অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করে।’

সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসনের এযাবৎকালের অনেকটাই নজিরবিহীন ঘটনায় রাষ্ট্রের তরফে আরেক রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুরো বিশ্ব স্তব্ধ। ভেনিজুয়েলার জনমানুষ যখন নিজ দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে রাজপথে মুখর, সেই সময়ই সে দেশের নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে নিজের নোবেল উৎসর্গ করে ষড়যন্ত্রের মুখোশ খুলে দিলেন। পুরস্কার ও তিরস্কারের পারস্পরিক ভাব-মিলনের এমন স্বর্ণসুফলের বিরল অভিজ্ঞতা কি এর আগে কখনো বিশ্ববাসীর হয়েছে?

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায়— নোবেল শান্তি পুরস্কার নামটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনে যেন এক অদ্ভুত মোহের বস্তু। ক্ষমতায় থাকাকালীন ও ক্ষমতার বাইরে— দুই সময়েই তিনি নিজেকে এই পুরস্কারের স্বাভাবিক দাবিদার হিসেবে তুলে ধরতে পছন্দ করেছেন। কখনো সাতটি যুদ্ধ থামানোর দাবি, কখনো ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির কৃতিত্ব— সব মিলিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট— নোবেল না পাওয়া তার কাছে শুধু হতাশা নয়, যেন এক ধরনের অবিচার।

গত বছর ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেন, তিনি সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছেন, তাই তার সাতটি নোবেল পাওয়া উচিত। এই বক্তব্য কেবল আত্মপ্রশংসা নয়, বরং নোবেল শান্তি পুরস্কারকে তিনি যেভাবে সংখ্যার খেলায় নামিয়ে আনেন, সেটিও চোখে পড়ার মতো। বাস্তবে আন্তর্জাতিক সংঘাত থামানো একটি দীর্ঘ, বহুস্তরীয় প্রক্রিয়া; সেখানে একক ব্যক্তির দাবি সবসময়ই বিতর্কিত। কিন্তু ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভাষায় জটিল কূটনীতি প্রায়ই সরল সাফল্যের গল্পে পরিণত হয়, যেখানে নায়ক তিনি নিজেই।

এবারও নোবেল ট্রাম্পের কপালে জোটেনি। শান্তিতে নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা হওয়ার পর ট্রাম্পের অসন্তোষ ছিল প্রকাশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনসমক্ষে তিনি এমন ভঙ্গিতে প্রতিক্রিয়া জানান, যেন পুরস্কারটি তার হাতছাড়া হয়ে গেছে অন্যায়ভাবে। এখানেই ট্রাম্পের মানসিকতা স্পষ্ট হয়— নোবেলকে তিনি নৈতিক স্বীকৃতির চেয়ে ব্যক্তিগত ট্রফির মতো দেখেন।

Reneta

বিষয়টি আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে যখন নোবেলজয়ী মাচাদো ঘোষণা দেন, তিনি চাইলে ট্রাম্পের সঙ্গে পুরস্কার ভাগ করে নিতে পারেন, এমনকি পদকটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত। এই প্রস্তাব যতটা সৌজন্যপূর্ণ, ততটাই রাজনৈতিক বার্তাবাহী। কিন্তু এখানেই বাস্তবতা হস্তক্ষেপ করে। নোবেল কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়— নোবেল পুরস্কার হস্তান্তরযোগ্য নয়, ভাগ করা যায় না, বাতিলও করা যায় না। একবার ঘোষণা হলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও চিরস্থায়ী।

নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক নতুন কোনো বিষয় নয়। একইভাবে মাচাদোর শান্তি পুরস্কার পাওয়াও বিতর্কের জন্ম দেয়। ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে মধ্যরাতে বোমা হামলা ও বিশেষ সামরিক অভিযানের মাধ্যমে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়ে বিচার করার ঘটনায় বিশ্ব জুড়ে সমালোচনা চলছে। আর মার্কিন সমর্থিত ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘স্বাধীনতার ক্ষণ এসে গেছে।’

শেষমেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের পাওয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দেন ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ট্রাম্পকে এ পুরস্কার দিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্পও প্রশংসায় ভাসান মাচাদোকে।

এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ মাচাদো ও ট্রাম্পের সুসম্পর্ক এবং ট্রাম্পের নোবেল আকাঙ্ক্ষার একটি মনস্তাত্ত্বিক দিক উন্মোচন করে। তার রাজনীতিতে স্বীকৃতি, প্রশংসা ও ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নোবেল শান্তি পুরস্কার তার কাছে শুধু শান্তির প্রতীক নয়; এটি ইতিহাসে নিজের নাম খোদাই করার এক মোক্ষম হাতিয়ার। কিন্তু নোবেল কমিটির নিয়ম, আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন এবং বাস্তব কূটনীতির কঠিন মানদণ্ড ট্রাম্পের সেই আকাঙ্ক্ষাকে বারবার থামিয়ে দিচ্ছে।

শান্তির প্রতীক হিসেবে যে পুরস্কার বিশ্ব জুড়ে আস্থা ও স্থিতিশীলতার প্রতিনিধিত্ব করে, ট্রাম্পের রাজনৈতিক আচরণ প্রায়ই তার বিপরীত বার্তা দেয়। সাম্প্রতিক সময়ের দিকে তাকালেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ট্রাম্প প্রকাশ্যে ন্যাটো জোট নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, মিত্র দেশগুলোকে নিরাপত্তা ব্যয়ের নামে চাপ দিয়েছেন এবং প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র জোট থেকে সরে দাঁড়াতে পারে— এমন হুমকিও দিয়েছেন। এতে ইউরোপে নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ট্রাম্পের অবস্থান দ্ব্যর্থহীন; কখনো দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি, আবার কখনো সামরিক সহায়তা নিয়ে শর্ত আরোপ— সব মিলিয়ে সংঘাত নিরসনের বদলে অনিশ্চয়তাই বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যেও ট্রাম্পের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। গাজা যুদ্ধ ও ইরান ইস্যুতে তার আক্রমণাত্মক ভাষা কূটনৈতিক ভারসাম্যের বদলে শক্তির রাজনীতিকেই উৎসাহিত করছে। একইভাবে চীন, রাশিয়া ও বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থাকে ঘিরে তার শুল্কনীতি ও হুমকির রাজনীতি আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।

সব মিলিয়ে একটি বড় প্রশ্ন সামনে আসে— যে ব্যক্তি নিজেকে শান্তির নোবেলের জন্য যোগ্য মনে করেন, তার নীতি ও ভাষা কেন বিশ্ব রাজনীতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে? নোবেল শান্তি পুরস্কার কেবল যুদ্ধ থামানোর দাবি নয়; এটি বিশ্বাস, সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার স্বীকৃতি। ট্রাম্পের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, শান্তির ভাষার আড়ালে রয়েছে বিভাজন, চাপ ও আত্মপ্রচার।

অন্যদিকে একটি দেশ তার স্বাধীন সত্তায় বিশ্বময় তার কাঠামোর স্বীকৃতি পায়। আর সে দেশের নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যুর ঠিকানা— প্রিয় স্বদেশ। সেই স্বদেশকে কি ব্যক্তি স্বার্থে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের হাতে তুলে দেওয়া যায়? তাও এতটা প্রকাশ্যে? একজন নারী— যিনি মা, জায়া, ভগ্নি, প্রিয়তমা— যার অন্তদৃষ্টি ও জৈবিক সৃষ্টির মাহাত্ম্যে তিনি অনন্য, সেই নারী কেন নিজ দেশ ও জনগণের স্বার্থে নয়, বরং সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের জন্য নিজের ঘরের দুয়ারে ফুলের মালা হাতে দাঁড়িয়ে থাকবেন? কেন নিজের ঘরের সুজলা-সুফলা ক্ষেত মারতে ভিনদেশি বিড়াল-শেয়ালকে স্বাগত জানাবেন?

ভেনিজুয়েলার জনগণকে শায়েস্তা করে দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ— তেল ও মহামূল্যবান লিথিয়ামসহ ভূগর্ভস্থ সব সম্পদ ‘যোগ্য শেয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার’ মতো বিরল ঘটনা মারিয়া কোরিনা মাচাদোর কল্যাণে বিশ্ববাসী দেখছে। তবে তার চেষ্টা কি সফল হবে? এরই মধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত যে ভূমিকা রেখেছে, তাতে আশাবাদী হতেই পারি। পাশাপাশি ভেনিজুয়েলার সেনাবাহিনী ও জনগণের একটি বড় অংশও রয়েছে তাদের সঙ্গে।

সাম্রাজ্যবাদের সেই ধূর্ত সেবকের প্রতিনিধি— শান্তিতে নোবেলজয়ী মাচাদো ট্রাম্পকে নিজের নোবেল উৎসর্গের পর এখন ভেনিজুয়েলাবাসী কি আগামীর বেহেশতি সুখের দিন কাটাবে? নাকি সাম্রাজ্যবাদের নিবিড় ছায়াকেন্দ্র হয়ে উঠবে ভেনিজুয়েলা, যেমন ব্রিটিশ শাসনে ভারতীয় উপমহাদেশ প্রায় দুই শ বছর তথাকথিত ‘বেহেশতি’ দিন কাটিয়েছিল?

সাম্রাজ্যবাদী শাসন-শোষণে নিপীড়িত হয়েছে এই ভূখণ্ডের মানুষ। ঠিক তেমনি ফরাসিরা আফ্রিকা মহাদেশকে শতাব্দীর পর শতাব্দী শোষণ করে শূন‍্য করে ফেলেছিল। আজ ভেনিজুয়েলার ভাগ্যাকাশে সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা।

নারী হয়ে সংবেদনশীলতা ও স্বদেশ-স্বাধীনতার মাহাত্ম্যকে পদদলিত করে যিনি ঘৃণার বিস্তার ঘটাচ্ছেন, তার জন্য লজ্জা প্রকাশের ভাষা নেই। বলতেই হয়— নারী, তোমাকে ঘৃণা। নিজের স্বার্থে দেশকে এভাবে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসকের হাতে তুলে দেওয়া— কী বিস্ময়কর ও লজ্জাজনক সত্য!

একটি নোবেলের জন্য নিজের দেশ, জনগণের স্বাধীনতা, দেশের সম্পদ ও মানুষের আবেগ বিকিয়ে দেওয়া— এ কী ভয়াবহ ইতিহাস! নারী হিসেবে লজ্জিত হচ্ছি আমরা। ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে তোমাকে। তোমার এই কর্মের দায় আজীবন বইতে হবে।

স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র ধ্বংসের কারিগর হিসেবে ইতিহাস মাচাদোকে মনে রাখবে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দালাল ও দেশধ্বংসের এজেন্ট হিসেবে ঘৃণাভরে উচ্চারিত হবে তার নাম— বাংলার মীরজাফর কিংবা সিকিমের লেন্দুপ দর্জির কাতারে। এখন দেখার অপেক্ষা— মাচাদোর এই উপহারের প্রতিদান তার দেশ ভেনিজুয়েলা ও সে দেশের জনগণের জন্য কতটা উপভোগ্য হয়।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: ডোনাল্ড ট্রাম্পনোবেলনোবেলজয়ীপুরস্কারমারিয়া কোরিনা মাচাদোযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

দাম বেড়েছে সবজির, কাটেনি সয়াবিন তেলের সংকট

মে ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তিনদিনের সফর শেষে চীন ছাড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

মে ১৫, ২০২৬
ছবি: চ্যানেল আই

টেকনাফে গুলিতে রোহিঙ্গা নিহত ১

মে ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

মে ১৫, ২০২৬

হরমুজে ইরানের ছোট নৌকার ঝাঁক: উত্তেজনায় নতুন মোড়

মে ১৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT