প্রতিদিনই লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে আসছে সাপে কাটা রোগী। বন্যা স্থায়ী রূপ নেয়ার ফলে সাপের উপদ্রব বেড়েছে লক্ষ্মীপুরে। বন্যা শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৮০জন সাপে কাটা রোগী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত সদর হাসপাতালে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ একদিনে এসেছে ১৫জন রোগী।
হাসপাতার কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্যা শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৮০জন সাপে কাটা রোগী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে এ সংখ্যা। একই সাথে বাড়ছে নিয়োমনিয়া এবং ডায়রিয়া জনিত অন্যান্য রোগীর সংখ্যাও।
হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের মেঝে, চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে ঠাই নিয়েছে রোগীরা।
সদর হাসপাতালের ইমার্জেন্সী মেডিকেল অফিসার ডা. জয়নাল আবেদিন জানান, অন্যান্য রোগীর সাথে পাল্লা দিয়ে প্রতিদিনই সাপে কাটা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিন একদিনে এসেছে সর্বোচ্চ ১৫ জন সাপে কাটা রোগী।
তিনি বলেন, চারদিকে স্থায়ী বন্যার ফলে মাছ ধরার জন্য জাল দেয়া এবং অন্যান্য সমস্যার ফলে সাপের অবাধ চলাচলে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। একই সাথে পানি নামার স্থানে ও জালের পাশে মাছ খাওয়ার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে মানুষ। অপরদিকে সাপ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য শুকনো স্থান পছন্দ করে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, সবাইকে সচেতন এবং সাবধান থাকতে হবে। কাউকে সাপে দংশন করলে কাল বিলম্ব না করে অতি দ্রুত জেলা সদর হাসপাতাল নিয়ে যেতে হবে। একই সাথে সাপে কামড়ের স্থানের উপরে একাধিক স্থানে বেঁধে দিতে হবে। রোগীর মনোবল অটুট রাখতে হবে।
তবে এখন পর্যন্ত বিশ্বস্ত সূত্রে মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।








