গাজা দখল ও প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে বাস্তুচ্যুত করার লক্ষ্যে ইসরায়েল ব্যাপকভাবে অভিযান বাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনী গাজা জুড়ে কমপক্ষে ৭৭ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এরমধ্যে ৪৭ জন উত্তর গাজা সিটির।
রোববার ৩১ আগস্ট আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনী গাজা জুড়ে কমপক্ষে ৭৭ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এরমধ্যে ৪৭ জন উত্তর গাজা সিটির।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবারের হত্যাকাণ্ডে ১১ জন ফিলিস্তিনিও অন্তর্ভুক্ত ছিল যারা খাদ্য সহায়তার জন্য লাইনে দাঁড়ানোর সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছিল এবং গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে আরও ১০ জন অপুষ্টিতে মারা গেছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশুও ছিল।
গাজা সিটিতে, ইসরায়েলি বাহিনী পরপর তিনটি হামলা চালিয়ে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ভেঙে ফেলে এবং কমপক্ষে সাতজনকে হত্যা করে। শিশুসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়।
আল জাজিরার হানি মাহমুদ বলেছেন, গাজা জুড়ে এই হামলায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে এবং আশপাশের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক শিশু আহত হয়েছে। তারা রক্তমাখা অবস্থায় হাসপাতালে পৌঁছেছে। আমরা একজন শিশুকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত হতে দেখেছি যার পিঠে আহত অন্যদের মাংস লেগে আছে।
তিনি আরও বলেন, সামরিক বাহিনী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিমান হামলা বাড়িয়েছে, যার ফলে মানুষ আরও বেশি বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। আমরা দেখছি, মানুষ আশ্রয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছে। অনেকেই একাধিকবার তাদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকা ইসরায়েলকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা দিয়েছে। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অঙ্গণে জবাবদিহিতার আহ্বান থেকেও ওয়াশিংটন তার শীর্ষ মিত্রকে রক্ষা করেছে।
ফেব্রুয়ারিতে, ট্রাম্প গাজা থেকে সমস্ত ফিলিস্তিনিদের অপসারণের পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা জাতিগত নির্মূলের সমতুল্য, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।








