সারাদেশে ভূমিকম্পে এক শিশুসহ কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকার বংশালের কসাইটুলিতে ৩, নরসিংদীতে ২ এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় দেশের বিভিন্ন অংশে প্রায় ৬৭জন আহত হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে তিনজন ঢাকার বংশালের কসাইটুলির: পুলিশ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের সময় আরমানিটোলার কসাইটুলি এলাকার একটি আটতলা তলা ভবনের পাশের দেয়াল এবং কার্নিশ থেকে ইট ও পলেস্তরা নিচে খসে পড়ে। এসময় ভবনের নিচে থাকা একটি গরুর মাংসের দোকানে থাকা ক্রেতা ও পথচারীরা আহত হন। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন তাদের মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
বংশাল থানার এএসআই জাকারিয়া হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া আরও ১০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শিশুর মৃত্যু: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ভূমিকম্প শুরু হলে ১০ মাস বয়সী ফাতেমাকে কোলে নিয়ে তার মা বাসা থেকে বেরিয়ে আসার সময় তাদের ওপর দেয়াল ধসে পড়ে। এতে শিশু ফাতেমা ঘটনাস্থলেই মারা যায় এবং তার মা আহত হন।
নরসিংদীতে চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু: নরসিংদীতে ভূমিকম্পের সময় আহত দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ৬৭ জন আহত ব্যক্তি এখন পর্যন্ত নরসিংদী মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
জেলার গাবতলী এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে একই পরিবারের ছয়জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত দুই জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওমর মিয়া নামে একজনের মৃত্যু হয়।
এছাড়া নরসিংদীর পলাশে ভূমিকম্পের সময় মাটির দেয়াল ধসে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।







