ডেঙ্গু জ্বরে চলতি মাসের প্রথম ৯ দিনে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম এক সপ্তাহে মারা গেছেন ২৫ জন। চিকিৎসকরা বলছেন, বেশির ভাগ রোগীরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কি না সেটাই নিশ্চিত জানেন না। ফলে শেষ মুহূর্তে জটিল অবস্থায় হাসপাতালে আসা ‘সি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু আক্রান্তদের মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের রোগ জটিলতা ও উপসর্গের ভিত্তিতে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’ এই তিন ক্যাটাগরিতে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
রাজধানীতে ডেঙ্গুর চিকিৎসায় নির্ধারিত কয়েকটি হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন, অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী ‘এ’ ক্যাটাগরির। তারা শুধু জ্বরে ভোগেন, তাদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় না। বাড়িতে বিশ্রাম ও পর্যাপ্ত তরল খাবার নিশ্চিত করলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
তবে পেটে ব্যথা, বমি, ডায়াবেটিস ও অন্য কোন জটিল রোগে আক্রান্তরা ‘বি’ ক্যাটাগরিতে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা জরুরি। ডেঙ্গুতে ‘সি’ ক্যাটাগরির আক্রান্তদের সবচেয়ে জটিল অবস্থা দেখা দেয়। এদের লিভার, কিডনি এমনকি মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে এদের নিবিড় পরিচর্যা বা আইসিইউতে রেখে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে আক্রান্তদের মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না। তিনি জানান, চলতি মাসের প্রথম নয় দিনে ৩৩ জনের মৃত্যু ও আক্রান্ত হয়েছে ৮ হাজার ৮শ’ ৮৪ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ কমাতে এডিস মশা নিধনের কোন বিকল্প নেই।







