টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারী ও ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠনের সংঘর্ষ, হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজন গুলিবিদ্ধ ও ২০ জন আহত হয়েছে।
রোববার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বটতলায় আন্দোলনকারীদের মিছিলে ছাত্রলীগ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় ছাত্ররা স্থানীয় বিবেকান্দ স্কুলে আশ্রয় নিলে তাতে হামলা চালায় আন্দোলনকারীরা। পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়। আহত হয় বেশ কয়েকজন।
এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে শহরের বিভিন্নস্থানে উভয় পক্ষের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পরে। এসময় শহরের সিএনবি রোড এলাকায় আন্দোলনকারীদের সাথে ক্ষমতাসীন কর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়। পুড়িয়ে দেয়া হয় এক সাংবাদিকের মোটরসাইকেল।

এছাড়াও দুপুর ১ টার দিকে পূর্ব আদালতপাড়ায় টাঙ্গাইল দুই আসনের সংসদ সসদ্য ছোট মিনিরের বাসভবনে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ ঘটে। অন্যদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নগর জলফৈ তার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্পেও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
অপরদিকে কালিহাতীতে আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর ও সভাপতিসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ বক্স ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও উপজেলা পরিষদ এলাকায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। শহরে দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ ও শহরের ভেতরে ছোট যানবাহন সিমিত আকারে চলছে। কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিরাপদ দূরুত্বে অবস্থান করতে দেখা গেছে।








