বাংলাদেশে আশ্রয় পেলেও সামনের দিনগুলো কিভাবে কাটবে, তা জানে না রোহিঙ্গারা। এর মাঝে নতুন নতুন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গাদের মাঝে। চরম অনিশ্চয়তার মাঝেই কক্সবাজার ও বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় জীবন কাটছে তাদের।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার থেকে রোহিঙ্গারা জীবন নিয়ে পালিয়ে আসছে বাংলাদেশ। নাফ নদীর এপাড়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জীবন নিরাপদ তবে সে জীবন চলবে কিভাবে। ভিনদেশে পাড়ি জমানো রোহিঙ্গাদের কাছে এ প্রশ্ন এক অনিশ্চয়তার নাম। তারপরও অস্থায়ী এ আশ্রয়স্থলেই তাদের দৈনন্দিন জীবন শুরু।
কক্সবাজারের উখিয়া থেকে টেকনাফ সীমান্ত পর্যন্ত রাস্তায় দুপাশেই দেখা মিলবে হাজারো রোহিঙ্গার। শরনার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় না পেয়ে রাস্তা এখন তাদের আশ্রয়স্থল। ছোট ছোট তাবু গেড়ে সেখানেই বসবাস শুরু করেছে রোহিঙ্গারা। কাচা বাসের চাটাই আর পলিথিনের ছাউনি দিয়েই নিজেদের আগলে রাখার চেষ্টা তাদের।
উখিয়া থেকে টেকনাফ সড়কের পাশে সারাদিন রাস্তার পাশে ত্রাণের আশায় ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। কার ভাগ্যে মিলছে ত্রাণের একাধিক প্যাকেট অথবা জামাকাপড় আবার কারও জুটছে না কিছুই। এক বেলা খাবারের ব্যবস্থা হলেও রোহিঙ্গাদের অনেকেই জানে না পরের বেলা কি খাবে তারা।
রোহিঙ্গাদের অনেকেই নানা ধরণের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। দেশী বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা থেকে তাদের প্রয়োজনীয় ঔষধ দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। স্বেচ্ছাসেবকরা বলছেন, অধিকাংশ রোগই পানিবাহিত। সীমান্তের উচু নিচু পথে দীর্ঘদিন হাটার ফলে গর্ভবতী মহিলারাও নানা জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছেন।
যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি স্থানীয়দের। তা না হলে ক্ষুধার্ত এ মানুষগুলো বড় ধরণের অপরাধ কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশংকা স্থানীয়দের।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:










