গাজা উপত্যকায় হামাসের কাছে জিম্মি ৪ জনকে উদ্ধার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ)। মধ্য গাজার দেইর আল বালাহ ও নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে চার জিম্মি মুক্তির নামে গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এই চার জিম্মিকে উদ্ধার করতে গিয়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২১০ ফিলিস্তিনকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
রোববার ৯ জুন আলজাজিরাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্য গাজার ঘনবসতিপূর্ণ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা আল-নুসেইরাতে ঘটেছে জিম্মি উদ্ধার অভিযান এবং ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, উদ্ধারকৃতরা হলেন নোয়া আরগামানি (২৬), আলমোগ মাইর জান (২২), আন্দ্রে কোজলোভ (২৭) এবং শোলমি ঝিভ (৪১)। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে তারা সকলেই সুস্থ আছেন।
গাজার স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা জানান, হামলায় বহু ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং একটি বাজার ও মসজিদের চারপাশে পুরুষ, নারী ও শিশুদের ছিন্নভিন্ন লাশ পড়ে আছে।
গাজার কেন্দ্রে অবস্থিত আল-আকসা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, নতুন করে এত বেশি পরিমাণে মানুষ হতাহত হয়েছে যে তাদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা বলেন, ইসরায়েলের উদ্ধার অভিযানে কয়েকজন জিম্মি নিহত হয়েছে। তবে এই দাবিকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র পিটার লার্নার।
ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেছেন, নুসেইরাতের একটি আবাসিক এলাকার দুটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে জিম্মিদের রেখেছিল হামাস। সেখানেই আইডিএফ অভিযান চালায়।
সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আমরা ১০০ জনের কম (ফিলিস্তিনি) নিহতের কথা জানি। তাদের মধ্যে কতজন সন্ত্রাসী তা আমি জানি না।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানের সময় একজন ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর কমান্ডার নিহত হয়েছেন।







